How many woman freedom fighters received the 'Bir Protik' award for their contribution to the liberation war of Bangladesh?
সঠিক উত্তর
গ2
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর প্রতীক খেতাব পাওয়া নারী মুক্তিযোদ্ধা মাত্র দুজন: ক্যাপ্টেন ডাক্তার সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
সিতারা বেগম ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে আগরতলার কাছে বাংলাদেশ হাসপাতাল পরিচালনা করেন এবং আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেন।
তারামন বিবি কুড়িগ্রামের মেয়ে। এগারো নম্বর সেক্টরে তিনি সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেন এবং গুপ্তচর হিসেবেও কাজ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের চারটি বীরত্বসূচক খেতাব হলো, উঁচু থেকে নিচে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। এই খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী কেবল এই দুজন, তাই অন্য সংখ্যাগুলো ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নাম | অবদান |
|---|---|
| খেতাবের ধাপ | বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক |
| ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম | বাংলাদেশ হাসপাতাল পরিচালনা |
| তারামন বিবি | ১১ নম্বর সেক্টরে সম্মুখযুদ্ধ |
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব চারটি; সবচেয়ে নিচের ধাপ বীর প্রতীক।
- প্রথম নারী: ক্যাপ্টেন ডাক্তার সিতারা বেগম, বাংলাদেশ হাসপাতাল।
- দ্বিতীয় নারী: তারামন বিবি, কুড়িগ্রাম, ১১ নম্বর সেক্টর। মোট দুজন।
ক. 5: নারী বীর প্রতীক পাঁচজন নন; মাত্র দুজন।
খ. 3: তিনজন নয়; কেবল সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
ঘ. 6: ছয়জন নয়; নারী খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুজন।
নারী বীর প্রতীক দুজন: একজন ডাক্তার (সিতারা), একজন যোদ্ধা (তারামন)।
সিতারা আর তারামন, দুই নারী বীর প্রতীক জন।