যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয়, তাদের কি বলা হয়?
সঠিক উত্তর
খআইসোটোন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা নিউক্লিয়াসের শ্রেণিবিভাগ পরীক্ষা করছে। যেসব নিউক্লিয়াসে নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোন বলে।
ভর সংখ্যা মানে প্রোটন আর নিউট্রনের যোগফল। তিনটি শব্দ একসাথে মনে রাখুন: প্রোটন সংখ্যা সমান হলে আইসোটোপ, ভর সংখ্যা সমান হলে আইসোবার, আর নিউট্রন সংখ্যা সমান হলে আইসোটোন।
উদাহরণ: কার্বন ১৪ নিউক্লিয়াসে প্রোটন ৬টি, নিউট্রন ৮টি; নাইট্রোজেন ১৫ নিউক্লিয়াসে প্রোটন ৭টি, নিউট্রনও ৮টি। দুটির নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ১৪ আর ১৫, তাই এরা আইসোটোন।
নিউক্লীয় আইসোমারে প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই সমান, পার্থক্য শুধু শক্তিস্তরে। ফাঁদ হলো আইসোটোপ, কারণ নামটা সবচেয়ে পরিচিত; কিন্তু আইসোটোপে সমান থাকে প্রোটন, নিউট্রন নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নাম | কী সমান | উদাহরণ |
|---|---|---|
| আইসোটোপ | প্রোটন সংখ্যা | কার্বন ১২, কার্বন ১৪ |
| আইসোবার | ভর সংখ্যা | কার্বন ১৪, নাইট্রোজেন ১৪ |
| আইসোমার | প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই | শক্তিস্তর ভিন্ন |
| আইসোটোন | নিউট্রন সংখ্যা | কার্বন ১৪, নাইট্রোজেন ১৫ |
- প্রোটন সমান হলে আইসোটোপ, ভর সংখ্যা সমান হলে আইসোবার।
- প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই সমান কিন্তু শক্তিস্তর ভিন্ন হলে আইসোমার।
- শুধু নিউট্রন সমান হলে আইসোটোন, যেমন কার্বন ১৪ ও নাইট্রোজেন ১৫।
ক. আইসোটোপ: আইসোটোপ বিকল্পটি ফাঁদ: আইসোটোপে প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে, নিউট্রন নয়।
গ. আইসোমার: আইসোমার বিকল্পটি ভুল, কারণ নিউক্লীয় আইসোমারে প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই সমান, তাই ভর সংখ্যাও সমান; পার্থক্য শুধু শক্তিস্তরে।
ঘ. আইসোবার: আইসোবার বিকল্পটি ভুল, কারণ আইসোবারে ভর সংখ্যা সমান থাকে, অথচ প্রশ্নে ভর সংখ্যা অসমান বলা হয়েছে।
আইসোটোপে P (প্রোটন), আইসোবারে A (ভর সংখ্যা), আইসোটোনে N (নিউট্রন) সমান।
টোপে প্রোটন, টোনে নিউট্রন, বারে ভর।