রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব কত?
সঠিক উত্তর
ঙকোনোটিই নয়
প্রশ্নটি ৩১তম বিসিএস (২০১১) পরীক্ষার, তখনকার তথ্য অনুযায়ী। তখন সঠিক উত্তর ছিল: ৪১২ কি.মি.। এখন অবস্থা বদলেছে — এখনকার সঠিক উত্তর: পদ্মা সেতু হয়ে প্রায় ২১২ কিমি (ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে)।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা পরীক্ষার সময়ে রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব জানতে চেয়েছে। তখনকার প্রচলিত উত্তর প্রায় ৪১২ কিলোমিটার।
মাওয়া-জাজিরা দিয়ে পদ্মা পার হওয়ার কোনো রেলপথ তখন ছিল না। তাই ঢাকা থেকে খুলনার ট্রেন যমুনা নদীর ওপর যমুনা সেতু, তখনকার নাম বঙ্গবন্ধু সেতু, পার হয়ে ঈশ্বরদী যেত। সেখান থেকে পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দিয়ে পদ্মা পার হয়ে যশোর হয়ে খুলনা।
এই উত্তর-পশ্চিম ঘুরপথের কারণে দূরত্ব সরাসরি দূরত্বের চেয়ে অনেক বেশি ছিল; চিত্রা এক্সপ্রেস এই পথে প্রায় ৪১২ কিলোমিটার চলে। সময়নির্ভর এমন প্রশ্নে কোন পথের দূরত্ব চাওয়া হয়েছে, তা বোঝা জরুরি।
ছোট সংখ্যার বিকল্পগুলো সরাসরি দূরত্বের ধারণা থেকে আকর্ষণীয় মনে হয়, কিন্তু তখনকার ঘুরপথে দূরত্ব ছিল প্রায় ৪১২ কিলোমিটার। হার্ডিঞ্জ ব্রিজও পদ্মার ওপরের রেলসেতু, তাই পদ্মায় কোনো রেলসেতুই ছিল না, এমন ভাবা ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| পথের অংশ | বিবরণ |
|---|---|
| ঢাকা থেকে | যমুনা সেতু, ঈশ্বরদী |
| পদ্মা পার | হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, তারপর যশোর |
| মোট দূরত্ব | প্রায় ৪১২ কিলোমিটার |
- ঢাকা থেকে ট্রেন যমুনা সেতু পার হয়ে ঈশ্বরদী যায়।
- পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজে পদ্মা পার, তারপর যশোর হয়ে খুলনা।
- এই ঘুরপথে মোট দূরত্ব প্রায় ৪১২ কিলোমিটার।
ক. ৬২৭ কি.মি.: ৬২৭ কিলোমিটার তখনকার ঘুরপথের চেয়েও অনেক বেশি।
খ. ৫২৯ কি.মি.: ৫২৯ কিলোমিটার প্রচলিত হিসাবের চেয়ে বেশি।
ঘ. ৩০৭ কি.মি.: ৩০৭ কিলোমিটার তখনকার রেলপথের দূরত্বের চেয়ে কম।
পরীক্ষার সময় মাওয়া-জাজিরায় রেলসেতু ছিল না, তাই যমুনা সেতু আর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঘুরে লম্বা পথ।
যমুনা ঘুরে খুলনা, চারশো বারো।