কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়?
সঠিক উত্তর
ঘরাবার
ব্যাখ্যা
যে পদার্থের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলে তাকে পরিবাহী, আর যার ভেতর দিয়ে প্রায় চলে না তাকে অপরিবাহী বা অন্তরক বলে। প্রশ্নটা অপরিবাহী খুঁজছে, উত্তর রাবার।
ধাতুতে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, যারা সহজে চলাচল করে বিদ্যুৎ বয়ে নেয়। তাই তামা, লোহা ও রুপা তিনটিই পরিবাহী। এদের মধ্যে রুপা সবচেয়ে ভালো পরিবাহী, তারপর তামা; দামে সস্তা বলে বৈদ্যুতিক তারে তামাই বেশি ব্যবহৃত হয়।
রাবারের অণুতে ইলেকট্রন শক্তভাবে বাঁধা থাকে, মুক্ত ইলেকট্রন প্রায় নেই। তাই বিদ্যুৎ চলে না, আর এজন্যই তারের আবরণ, বৈদ্যুতিক কাজের দস্তানা ও জুতায় রাবার ব্যবহার করা হয়।
লোহা অনেকের কাছে কম পরিবাহী মনে হয়, কারণ তারে ব্যবহার হয় না; কিন্তু ধাতু হিসেবে লোহাও পরিবাহী, শুধু তামার চেয়ে কম।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| পদার্থ | বিদ্যুৎ পরিবাহিতা |
|---|---|
| রুপা | সবচেয়ে ভালো পরিবাহী |
| তামা | খুব ভালো পরিবাহী |
| লোহা | পরিবাহী, তুলনায় কম |
| রাবার | অপরিবাহী |
- রুপা: সবচেয়ে ভালো পরিবাহী ধাতু।
- তামা: খুব ভালো পরিবাহী, সস্তা বলে তারে ব্যবহৃত।
- লোহা: ধাতু, পরিবাহী, তবে তামার চেয়ে কম।
- রাবার: মুক্ত ইলেকট্রন নেই, অপরিবাহী।
ক. তামা: বিকল্প ‘তামা’ খুব ভালো পরিবাহী ধাতু; সস্তা বলে বৈদ্যুতিক তারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।
খ. লোহা: বিকল্প ‘লোহা’ ধাতু, মুক্ত ইলেকট্রন আছে বলে পরিবাহী; শুধু তামার চেয়ে কম।
গ. রূপা: বিকল্প ‘রূপা’ সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু; দাম বেশি বলে তারে কম ব্যবহৃত হয়।
ধাতু মানেই পরিবাহী; বিকল্পে একমাত্র অধাতু খুঁজুন।
তারের ভেতরে তামা, বাইরে রাবারের জামা।