বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় কি?
সঠিক উত্তর
গরেডিমেড গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা
প্রশ্নের সময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসত তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস রপ্তানি থেকে। মোট রপ্তানি আয়ের চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি আসত এই খাত থেকে।
বৈদেশিক মুদ্রার দ্বিতীয় বড় উৎস প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। প্রবাসী শ্রমিকেরা বিপুল অর্থ পাঠান, তবে মোট অঙ্কে তা পোশাক রপ্তানির চেয়ে কম।
পাট একসময় বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, তাই একে সোনালি আঁশ বলা হতো। কিন্তু আশির দশকের শেষ দিকে পোশাক খাত পাটকে ছাড়িয়ে যায়। চামড়াও রপ্তানি পণ্য, তবে আয়ের দিক থেকে অনেক পিছনে।
ফাঁদ হলো প্রবাসী শ্রমিক বিকল্পটি। রেমিট্যান্স বড় উৎস ঠিকই, কিন্তু একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ আয় পোশাক রপ্তানির।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| উৎস | অবস্থান |
|---|---|
| রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয় | বৈদেশিক মুদ্রার দুই প্রধান উৎস |
| তৈরি পোশাক | প্রথম |
| প্রবাসী আয় | দ্বিতীয় |
| পাট, চামড়া | অনেক পিছনে |
- বৈদেশিক মুদ্রার দুটি বড় উৎস: রপ্তানি আয় আর প্রবাসী আয়।
- রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশ চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি।
- প্রবাসী আয় দ্বিতীয়; পাট ও চামড়া অনেক পিছনে।
ক. প্রবাসী শ্রমিক: প্রবাসী আয় দ্বিতীয় বৃহৎ উৎস; মোট অঙ্কে পোশাক রপ্তানির চেয়ে কম।
খ. পাট: পাট একসময় প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, আশির দশকের শেষ দিকে পোশাক খাত একে ছাড়িয়ে যায়।
ঘ. চামড়া: চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়, কিন্তু আয় পোশাকের তুলনায় খুব সামান্য।
রপ্তানিতে পোশাক এক নম্বর, বৈদেশিক মুদ্রায় রেমিট্যান্স দুই নম্বর।
সোনালি আঁশের জায়গা নিয়েছে সুই সুতা।