প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
সঠিক উত্তর
ঘবৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে মৃদু পানি বলতে বোঝানো হয়েছে খর পানির উল্টো, অর্থাৎ যে পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ প্রায় নেই। প্রকৃতিতে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায় বৃষ্টি থেকে।
বৃষ্টির পানি আসলে সূর্যের তাপে বাষ্প হয়ে আবার ঘনীভূত হওয়া পানি, অনেকটা প্রাকৃতিকভাবে পাতিত পানির মতো। বাষ্প হওয়ার সময় লবণ ও খনিজ পেছনে পড়ে থাকে, তাই বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত খনিজ খুব কম।
বৃষ্টির পানি মাটিতে পড়ে নদী, হ্রদ বা ভূগর্ভে যাওয়ার পথে পাথর আর মাটি থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম গলিয়ে নেয়, তখন পানি খর হতে থাকে। খর পানিতে সাবানের ফেনা সহজে হয় না, মৃদু পানিতে সহজে হয়।
সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ, তাই সেটা মৃদু তো নয়ই, পানযোগ্যও নয়। নদী আর হ্রদের পানিতে কিছু খনিজ মিশে থাকে, আর এদের পানির মূল জোগানও বৃষ্টি। তাই মৃদু পানিকে মিঠা পানি অর্থে ধরলেও উত্তর একই থাকে: বৃষ্টিপাত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| উৎস | দ্রবীভূত লবণ | পানি |
|---|---|---|
| সাগর | প্রচুর লবণ | লবণাক্ত |
| নদী | মাটি-পাথরের খনিজ | কিছুটা খর |
| হ্রদ | খনিজ জমে | কিছুটা খর |
| বৃষ্টি | প্রায় নেই | সবচেয়ে মৃদু |
- মৃদু পানি = যে পানিতে ক্যালসিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম লবণ খুব কম।
- বাষ্পীভবনে লবণ পেছনে থাকে, তাই বৃষ্টির পানি প্রায় পাতিত পানি।
- মাটি-পাথর ছুঁয়ে নদী-হ্রদের পানিতে খনিজ মেশে, সাগরে প্রচুর লবণ।
- তাই সবচেয়ে মৃদু প্রাকৃতিক পানি বৃষ্টির পানি।
ক. নদী: নদীর পানি মাটি-পাথর থেকে খনিজ নিয়ে কিছুটা খর হয়।
খ. সাগর: সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ, মৃদু পানির ঠিক উল্টো।
গ. হ্রদ: হ্রদের পানিতে খনিজ জমে থাকে, বৃষ্টির পানির মতো মৃদু নয়।
মৃদু পানি মানে খনিজ কম; বৃষ্টির পানি প্রকৃতির পাতিত পানি।
আকাশ থেকে খাঁটি, মাটি ছুঁলেই খর।