আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিষয়াবলি৩৬তম বিসিএস (২০১৬)

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো :

সঠিক উত্তর

খপূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন

ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধুর ডাকে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।

অসহযোগ মানে কেন্দ্রীয় সামরিক সরকারের সঙ্গে কোনো সহযোগিতা না করা। অফিস, আদালত, ব্যাংক কার্যত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে।

৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে, এখনকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, দেওয়া ভাষণে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সঙ্গে চারটি দাবি তোলেন: সামরিক আইন প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরানো, হত্যার তদন্ত এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

বিকল্পগুলোতে পদত্যাগের কথা থাকায় বিভ্রান্তি হয়। কিন্তু তখনকার দাবি কারও পদত্যাগ ছিল না, ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার ও ক্ষমতা হস্তান্তর।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
  1. ১ মার্চঅধিবেশন স্থগিত
  2. মার্চের শুরুঅসহযোগ আন্দোলন শুরু
  3. ৭ মার্চরেসকোর্সে ঐতিহাসিক ভাষণ
  4. ২৫ মার্চঅপারেশন সার্চলাইট
  1. ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন।
  2. প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।
  3. ৭ মার্চের ভাষণে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ ও চার দাবি দেন।
  4. ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা শুরু হলে আন্দোলন রূপ নেয় মুক্তিযুদ্ধে।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন: তখন কোনো সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয়নি; দাবি ছিল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর। এ নামে কোনো আন্দোলন হয়নি।

গ. প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন: ইয়াহিয়ার পদত্যাগ দাবি করে কোনো আন্দোলন হয়নি; বরং ১৬ মার্চ থেকে ঢাকায় মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনা চলে।

ঘ. মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন: সামরিক আইন কোনো ব্যক্তি নয় যে পদত্যাগ করবে; ৭ মার্চের দাবি ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার।

শর্টকাট

১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম পঁচিশ দিন মানেই অসহযোগ আন্দোলন।

মনে রাখুন

মার্চের শুরুতে অসহযোগ, শেষে মুক্তিযুদ্ধ।