বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
সঠিক উত্তর
কমেঘনা
ব্যাখ্যা
পরীক্ষার সময়ের পাঠ্যবই ও গাইডে বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে মেঘনার নামই পড়ানো হতো। তাই এ প্রশ্নের উত্তর মেঘনা।
সিলেট অঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত ধারা থেকে মেঘনার শুরু; ভৈরব ও চাঁদপুর হয়ে এটি বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। চাঁদপুরে পদ্মা এসে মেঘনায় মেশে, আর নিম্ন মেঘনাকে দেশের সবচেয়ে প্রশস্ত নদী বলা হয়।
নদীর দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি নিয়ে সরকারি সূত্রগুলো একমত নয়। পরে নদী রক্ষা কমিশনের একটি প্রকাশনায় পদ্মাকে দীর্ঘতম দেখানো হয়, আর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তালিকায় অন্য নদী ওপরে আসে।
পদ্মা ও যমুনা বড় নদী হিসেবে বেশি পরিচিত বলে অনেকে সেগুলো বেছে নেন। পরীক্ষার সময়ের প্রচলিত উত্তর মেঘনা।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নদী | পরিচয় |
|---|---|
| পদ্মা | গঙ্গার বাংলাদেশ অংশ |
| যমুনা | ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা |
| কর্ণফুলী | চট্টগ্রামের প্রধান নদী, কাপ্তাই বাঁধ |
| মেঘনা | পাঠ্যবইয়ে দীর্ঘতম ও প্রশস্ততম |
- পদ্মা গঙ্গার বাংলাদেশ অংশ, যমুনা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা।
- কর্ণফুলী চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী।
- পরীক্ষার সময়ের পাঠে দীর্ঘতম ও প্রশস্ততম নদী মেঘনা।
খ. যমুনা: যমুনা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা; পরীক্ষার সময়ের পাঠে একে দীর্ঘতম ধরা হতো না।
গ. পদ্মা: পদ্মা গঙ্গার বাংলাদেশ অংশ; পরে নদী রক্ষা কমিশনের প্রকাশনায় একে দীর্ঘতম বলা হলেও পরীক্ষার সময়ের উত্তর মেঘনা।
ঘ. কর্ণফুলী: কর্ণফুলী চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, যার ওপর কাপ্তাই বাঁধ; দীর্ঘতম নদী হিসেবে এটি পড়ানো হয় না।
পরীক্ষার খাতায় দীর্ঘতম ও প্রশস্ততম, দুটোই মেঘনা।