বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পরিবেশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের (FCDI) কারণে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
সঠিক উত্তর
কবরেন্দ্র অঞ্চল
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প, সংক্ষেপে এফসিডিআই, কোন অঞ্চলের পরিবেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চল।
যুক্তিটা হলো সেচ। বরেন্দ্রে বৃষ্টি কম, তাই বোরো ধান চাষের জন্য বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আশির দশক থেকে হাজার হাজার গভীর নলকূপ বসিয়েছে। এতে ফসল বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতি বছর নেমে যাচ্ছে, অনেক এলাকায় শুকনো মৌসুমে নলকূপে পানি ওঠে না।
পানির স্তর নামলে খাল-বিল শুকায়, গাছপালা ও জলজ প্রাণী কমে, খরার তীব্রতা বাড়ে। এ কারণে বরেন্দ্রকে পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিবেশগত ক্ষতির উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।
সতর্ক থাকুন: বাঁধ দিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণের ফলে চলন বিলের জলাভূমি ভরাট ও মাছ কমে যাওয়ার কথাও বহুল আলোচিত, তাই কিছু গাইড চলন বিলকে উত্তর দেয়। পরীক্ষায় প্রচলিত উত্তর বরেন্দ্র।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- এফসিডিআই = বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ।
- বরেন্দ্রে বৃষ্টি কম, তাই গভীর নলকূপে ব্যাপক সেচ।
- ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাচ্ছে, পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত।
- প্রচলিত উত্তর: বরেন্দ্র অঞ্চল।
খ. মধুপুর গড় অঞ্চল: মধুপুর গড়ের প্রধান পরিবেশ সমস্যা শালবন উজাড় ও দখল, পানি প্রকল্প নয়।
গ. উপকূলীয় অঞ্চল: উপকূলীয় বাঁধ বা পোল্ডারের সমস্যা আছে, কিন্তু প্রচলিত উত্তরে এটি ধরা হয় না।
ঘ. চলন বিল অঞ্চল: বাঁধের কারণে চলন বিলের ক্ষতির যুক্তি আছে, তবে প্রচলিত উত্তর বরেন্দ্র; এটাই এখানে বিভ্রান্তি।
এফসিডিআই আর পরিবেশ ক্ষতি একসঙ্গে এলে প্রচলিত উত্তর বরেন্দ্র।
সেচের নলকূপে বরেন্দ্রের পানি পাতালে।