যে জেলায় হাজংদের বসবাস নেই –
সঠিক উত্তর
গসিলেট
ব্যাখ্যা
হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা মূলত গারো পাহাড়ের পাদদেশে, অর্থাৎ শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকায়, এবং সুনামগঞ্জে বাস করে।
বিকল্পগুলোর মধ্যে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা তিনটিই হাজং-অধ্যুষিত সীমান্ত এলাকা। বাকি থাকে সিলেট জেলা, যেখানে হাজংদের উল্লেখযোগ্য বসবাস নেই।
হাজংরা ব্রিটিশ আমলের টংক আন্দোলনের জন্য বিখ্যাত। টংক ছিল ফসলের মাধ্যমে খাজনা দেওয়ার নিপীড়নমূলক প্রথা; এর বিরুদ্ধে মণি সিংহের নেতৃত্বে আন্দোলন হয় এবং রাশিমণি হাজং শহীদ হন।
সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া ও মণিপুরীদের বসবাস বেশি, তাই সেখানে হাজংও আছে ভেবে ভুল হতে পারে। হাজংদের মূল এলাকা গারো পাহাড় সংলগ্ন জেলাগুলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| জেলা | হাজং বসবাস |
|---|---|
| শেরপুর | আছে |
| ময়মনসিংহ | আছে |
| নেত্রকোনা | আছে, প্রধান এলাকা |
| সিলেট | উল্লেখযোগ্য নয় |
- শেরপুর ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় হাজং বসতি আছে।
- নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চল হাজংদের প্রধান এলাকা, টংক আন্দোলনের কেন্দ্র।
- সিলেট জেলায় হাজংদের উল্লেখযোগ্য বসবাস নেই।
ক. শেরপুর: শেরপুরের গারো পাহাড় সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় হাজংদের বসবাস আছে।
খ. ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় হাজংদের বসবাস আছে।
ঘ. নেত্রকোনা: নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চল হাজংদের প্রধান এলাকা; টংক আন্দোলনও এখানেই হয়।
গারো পাহাড়ের পাদদেশে হাজং, সিলেটে নয়।