অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর
ক২ ভাগে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো অবস্থান অনুসারে কয় ভাগে ভাগ করা হয় তা নিয়ে। উত্তর দুই ভাগে।
টারশিয়ারি যুগে হিমালয় গড়ে ওঠার সময় ভূ-আলোড়নে ভাঁজ খেয়ে এই পাহাড়গুলো তৈরি হয়; এগুলো বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো ভূমিরূপ। অবস্থান অনুযায়ী এদের দুটি দল।
প্রথম দল দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়: রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়। এখানে দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলো আছে। দ্বিতীয় দল উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়: ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার উত্তরাংশ এবং সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের টিলা।
আট ভাগ বা পাঁচ ভাগ এসেছে অন্য শ্রেণিবিভাগ থেকে বিভ্রান্ত করতে; যেমন বাংলাদেশের পুরো ভূপ্রকৃতিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: টারশিয়ারি পাহাড়, প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি ও সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| টারশিয়ারি পাহাড় | কোথায় |
|---|---|
| দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় | রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার |
| উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় | ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেট অঞ্চল |
| মোট | ২ ভাগ |
- বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি তিন ভাগ: পাহাড়, চত্বরভূমি, প্লাবন সমভূমি।
- টারশিয়ারি পাহাড়ের প্রথম দল: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়।
- দ্বিতীয় দল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়। মোট দুই ভাগ।
খ. ৪ ভাগে: চার ভাগের কোনো প্রচলিত শ্রেণিবিভাগ টারশিয়ারি পাহাড়ের নেই।
গ. ৫ ভাগে: পাঁচ ভাগ বিভ্রান্তিকর সংখ্যা; অবস্থান অনুসারে দল মাত্র দুটি।
ঘ. ৮ ভাগে: আট ভাগ বলে কোনো শ্রেণিবিভাগ নেই; সংখ্যা বড় করে বিভ্রান্ত করা।
টারশিয়ারি পাহাড় = দক্ষিণ-পূর্ব + উত্তর-পূর্ব, দুই ভাগ।
পাহাড় দুই দিকে: চট্টগ্রামের দিকে আর সিলেটের দিকে।