রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
সঠিক উত্তর
গসংবাদ মাধ্যম
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়। উত্তর সংবাদ মাধ্যম বা গণমাধ্যম। রাষ্ট্রের প্রথম তিন স্তম্ভ হলো আইনসভা, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ; এদের ওপর নজর রাখে বলে সংবাদমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
কথাটির মূল ইংরেজি রূপ ‘ফোর্থ এস্টেট’। পুরোনো ব্রিটেনে তিন এস্টেট ছিল যাজক, অভিজাত এবং সাধারণ মানুষ; সংসদের সাংবাদিক গ্যালারিকে বলা হতো চতুর্থ এস্টেট।
কে প্রথম কথাটি বলেছিলেন তা নিয়ে মতভেদ আছে। ব্রিটিশ লেখক টমাস কার্লাইল আঠারোশো চল্লিশ সালের বক্তৃতামালা অন হিরোজে এর কৃতিত্ব দেন রাষ্ট্রচিন্তক এডমান্ড বার্ককে, কিন্তু বার্কের কোনো লেখায় এর প্রমাণ মেলেনি। এর আগেই আঠারোশো একুশ সালে উইলিয়াম হ্যাজলিট এবং আঠারোশো আটাশ সালে টমাস ব্যাবিংটন মেকলে কথাটি ব্যবহার করেছিলেন।
পরীক্ষায় সাধারণত এডমান্ড বার্কের নামই আসে, কিন্তু মনে রাখবেন এটি বিতর্কিত। রাজনীতি, বুদ্ধিজীবী বা যুবশক্তি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এদের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৮২১হ্যাজলিট: ‘ফোর্থ এস্টেট’ কথার ব্যবহার
- ১৮২৮মেকলে: সংসদের সাংবাদিক গ্যালারিকে চতুর্থ এস্টেট বলেন
- ১৮৪০কার্লাইল কৃতিত্ব দেন বার্ককে (বিতর্কিত)
- আজসংবাদমাধ্যম = রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ
- রাষ্ট্রের তিন স্তম্ভ: আইনসভা, শাসন বিভাগ, বিচার বিভাগ।
- ১৮২১ সালে হ্যাজলিট ও ১৮২৮ সালে মেকলে ‘ফোর্থ এস্টেট’ কথাটি ব্যবহার করেন।
- ১৮৪০ সালে কার্লাইল কৃতিত্ব দেন এডমান্ড বার্ককে, যা প্রমাণিত নয়।
- সংবাদমাধ্যম তিন স্তম্ভের ওপর নজর রাখে: চতুর্থ স্তম্ভ।
ক. রাজনীতি: রাজনীতি রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া, চতুর্থ স্তম্ভ নয়।
খ. বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়: বুদ্ধিজীবীরা প্রভাবশালী হলেও তাদের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় না।
ঘ. যুবশক্তি: যুবশক্তি জাতির শক্তি, কিন্তু রাষ্ট্রের স্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
চতুর্থ স্তম্ভ = সংবাদমাধ্যম; প্রচলিত কৃতিত্ব এডমান্ড বার্ক, তবে তা প্রমাণিত নয়।
তিন স্তম্ভ রাষ্ট্র চালায়, চতুর্থটি পাহারা দেয়।