বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক’টি খাতে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর
ঙকোনোটিই নয়
প্রশ্নটি ৩৮তম বিসিএস (২০১৭) পরীক্ষার, তখনকার তথ্য অনুযায়ী। তখন সঠিক উত্তর ছিল: ১৫। এখন অবস্থা বদলেছে — এখনকার সঠিক উত্তর: ২১টি খাত (ভিত্তিবছর ২০১৫-১৬, ২০২১ থেকে)।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জাতীয় আয় হিসাবের খাত বিভাজন জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় পরিসংখ্যান ব্যুরো ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছর ধরে জাতীয় আয় হিসাব করত, আর সেখানে অর্থনীতিকে ১৫টি খাতে ভাগ করা হতো।
এই পনেরোটি খাতকে আবার তিনটি বৃহৎ খাতে সাজানো হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা। যেমন কৃষি ও বনজ, মৎস্য কৃষি খাতে; খনিজ, ম্যানুফ্যাকচারিং, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি, নির্মাণ শিল্প খাতে; আর পাইকারি-খুচরা বাণিজ্য, পরিবহন, ব্যাংক-বিমা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি সেবা খাতে।
খাতের সংখ্যা নির্ভর করে কোন ভিত্তিবছর ও কোন আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিন্যাস ব্যবহার হচ্ছে তার ওপর। পরে নতুন ভিত্তিবছরে খাতের সংখ্যা বদলেছে, তাই পরীক্ষার সময়ের হিসাবে উত্তর ১৫।
ফাঁদ হলো কাছাকাছি সংখ্যা ১৪ বা ১৩। তিন বৃহৎ খাতের ভেতরের উপখাতগুলো গুনতে গিয়ে ভুল হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বৃহৎ খাত | উদাহরণ |
|---|---|
| কৃষি | শস্য ও বনজ, মৎস্য |
| শিল্প | খনিজ, ম্যানুফ্যাকচারিং, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি, নির্মাণ |
| সেবা | বাণিজ্য, পরিবহন, ব্যাংক-বিমা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি |
| মোট খাত | ১৫টি, ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছরে |
- জাতীয় আয় হিসাবে বৃহৎ খাত তিনটি: কৃষি, শিল্প, সেবা।
- প্রতিটি বৃহৎ খাত আবার কয়েকটি উপখাতে ভাগ।
- ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছরের হিসাবে মোট খাত ১৫টি।
ক. ১২: ১২টি খাতে ভাগের কোনো হিসাব পরিসংখ্যান ব্যুরোর জাতীয় আয় গণনায় ছিল না।
খ. ১৩: ১৩টি খাত সঠিক সংখ্যা নয়; তখনকার হিসাবে খাত ছিল ১৫টি।
গ. ১৪: ১৪টি কাছাকাছি সংখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করা; খাত ছিল ১৫টি।
পুরোনো ভিত্তিবছর ২০০৫-০৬ মানেই ১৫ খাত।
তিন বড় খাত, ভেতরে পনেরো টুকরো।