আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিষয়াবলি৩৮তম বিসিএস (২০১৭)

বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মধ্যে সমুদ্র সীমা বিরোধ কোন সংস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়?

সঠিক উত্তর

খInternational Tribunal for the law of the Sea

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থায় নিষ্পত্তি হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল অব দ্য সি, বাংলায় আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন বিষয়ক ট্রাইব্যুনাল।

এই ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তর জার্মানির হামবুর্গে। ২০১২ সালের ১৪ মার্চ এর রায়ে বিরোধপূর্ণ এলাকার বড় অংশ বাংলাদেশ পায়।

ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ আলাদা প্রতিষ্ঠানে নিষ্পত্তি হয়েছিল: নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত স্থায়ী সালিসি আদালত, ২০১৪ সালে।

ফাঁদ হলো দুই প্রতিবেশীর রায় গুলিয়ে ফেলা। মিয়ানমার মানে হামবুর্গের সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল, ভারত মানে হেগের স্থায়ী সালিসি আদালত।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
প্রতিবেশীপ্রতিষ্ঠানরায়
মিয়ানমারসমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল, হামবুর্গ২০১২
ভারতস্থায়ী সালিসি আদালত, হেগ২০১৪
  1. দুই প্রতিবেশীর সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠানে নিষ্পত্তি হয়।
  2. মিয়ানমার: ২০১২, হামবুর্গের সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনাল।
  3. ভারত: ২০১৪, হেগের স্থায়ী সালিসি আদালত।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. Permanent Court of Justice: পার্মানেন্ট কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস ছিল লীগ অব নেশনসের আমলের আদালত, যা ১৯৪৬ সালে বিলুপ্ত হয়।

গ. International Court of Justice: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এই বিরোধ শোনেনি; মিয়ানমারের সঙ্গে মামলা গিয়েছিল সমুদ্র আইন ট্রাইব্যুনালে।

ঘ. Permanent Court of Arbitration: স্থায়ী সালিসি আদালতে নিষ্পত্তি হয় ভারতের সঙ্গে বিরোধ, ২০১৪ সালে; মিয়ানমারের সঙ্গে নয়।

শর্টকাট

মিয়ানমার আগে, ২০১২, সমুদ্র ট্রাইব্যুনাল; ভারত পরে, ২০১৪, সালিসি আদালত।

মনে রাখুন

হামবুর্গে মিয়ানমার, হেগে ভারত।