বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
সঠিক উত্তর
খক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বাংলাদেশের জলবায়ুর ধরন নিয়ে। উত্তর ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু।
ক্রান্তীয় কারণ কর্কটক্রান্তি রেখা দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে গেছে, তাই সারা বছর তাপমাত্রা বেশ উষ্ণ। মৌসুমি কারণ বছরের দুই ভাগে বাতাসের দিক উল্টে যায়: গ্রীষ্মে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সাগর থেকে আর্দ্রতা এনে প্রচুর বৃষ্টি ঝরায়, আর শীতে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে শুকনো ঠান্ডা বাতাস আসে।
এই উল্টো বাতাসের জন্যই বাংলাদেশের বৃষ্টির বড় অংশ, সত্তর থেকে পঁচাশি শতাংশ, বর্ষাকালে হয় আর শীতকাল প্রায় শুকনো থাকে। মৌসুমি বায়ুর এই প্রভাবই আমাদের জলবায়ুর মূল পরিচয়।
আর্দ্র ক্রান্তীয় বা ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় শুনতে কাছাকাছি, কিন্তু তাতে মৌসুমি বায়ুর মূল বৈশিষ্ট্য বাদ পড়ে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ঋতু | বায়ু | ফল |
|---|---|---|
| সারা বছর | কর্কটক্রান্তির কাছে | উষ্ণ: ক্রান্তীয় |
| গ্রীষ্ম-বর্ষা | দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু | প্রচুর বৃষ্টি |
| শীত | উত্তর-পূর্ব শুকনো বাতাস | প্রায় বৃষ্টিহীন |
| সব মিলিয়ে | দিক বদলানো বায়ু | ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু |
- কর্কটক্রান্তি দেশের মাঝ দিয়ে: ক্রান্তীয় উষ্ণতা।
- গ্রীষ্মে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু: প্রচুর বৃষ্টি।
- শীতে উত্তর-পূর্বের শুকনো বাতাস: তাই ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু।
ক. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু: কর্কটক্রান্তি দেশের ভেতর দিয়ে গেলেও জলবায়ুর মূল বৈশিষ্ট্য মৌসুমি বায়ু; এ বিকল্পে তা নেই।
গ. উপক্রান্তীয় জলবায়ু: শুধু উপক্রান্তীয় বললে দেশের ক্রান্তীয় উষ্ণতা ও মৌসুমি বৃষ্টি দুটোই বাদ পড়ে।
ঘ. আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু: আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ুতে সারা বছর বৃষ্টি হয়, কিন্তু বাংলাদেশে শীতকাল শুকনো।
বাংলাদেশের জলবায়ু বললেই দুই শব্দ: ক্রান্তীয়, মৌসুমি।
কর্কটক্রান্তির গরম আর মৌসুমি বায়ুর বর্ষণ।