সুশাসনের কোন নীতি সংগঠনের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে?
সঠিক উত্তর
কঅংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সুশাসনের কোন নীতি সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। উত্তর অংশগ্রহণ।
ইউএনডিপির উনিশশো সাতানব্বই সালের নীতিপত্রে অংশগ্রহণের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সব নারী-পুরুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি বা বৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে কণ্ঠস্বর থাকা উচিত, আর এই ব্যাপক অংশগ্রহণ গড়ে ওঠে সংগঠনের স্বাধীনতা ও বাক্স্বাধীনতার ওপর।
সহজ কথায়, মানুষ যদি দল, সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন বা নাগরিক সংগঠন করতে না পারে, তবে তারা সম্মিলিতভাবে মত দিতে বা দাবি তুলতে পারে না। তাই অংশগ্রহণের নীতি মানলেই সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হয়।
স্বচ্ছতা তথ্যের অবাধ প্রবাহের ওপর দাঁড়িয়ে, জবাবদিহিতা সিদ্ধান্তগ্রহীতাদের জবাব দেওয়ার দায়, আর সাম্য ও সমতা সবার সমান সুযোগের কথা বলে। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সংগঠনের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অংশগ্রহণ। কিছু উত্তরমালায় স্বচ্ছতাকে উত্তর ধরা হয়েছে, কিন্তু ইউএনডিপির নিজের ব্যাখ্যায় সংগঠনের স্বাধীনতা যুক্ত অংশগ্রহণের সঙ্গে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নীতি | কিসের ওপর দাঁড়িয়ে (ইউএনডিপি ১৯৯৭) |
|---|---|
| অংশগ্রহণ | সংগঠনের স্বাধীনতা ও বাক্স্বাধীনতা |
| স্বচ্ছতা | তথ্যের অবাধ প্রবাহ |
| জবাবদিহিতা | জনগণের কাছে সিদ্ধান্তের দায় |
| সাম্য ও সমতা | সবার উন্নতির সমান সুযোগ |
- অংশগ্রহণ: সিদ্ধান্তে সবার কণ্ঠস্বর, ভিত্তি সংগঠন ও বাক্স্বাধীনতা।
- স্বচ্ছতা: তথ্যের অবাধ প্রবাহ; জবাবদিহিতা: সিদ্ধান্তের দায়।
- সাম্য: সবার সমান সুযোগ; তাই সংগঠনের স্বাধীনতার নীতি অংশগ্রহণ।
খ. জবাবদিহিতা: জবাবদিহিতা সিদ্ধান্তগ্রহীতার দায়ের কথা বলে, সংগঠনের স্বাধীনতার কথা নয়।
গ. স্বচ্ছতা: স্বচ্ছতার ভিত্তি তথ্যের অবাধ প্রবাহ; কিছু উত্তরমালা এটি দিলেও ইউএনডিপি সংগঠনের স্বাধীনতাকে অংশগ্রহণের ভিত্তি বলেছে।
ঘ. সাম্য ও সমতা: সাম্য সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করে; সংগঠনের স্বাধীনতা অংশগ্রহণের অংশ।
স্বাধীনতা বা কণ্ঠস্বর = অংশগ্রহণ; তথ্য = স্বচ্ছতা; জবাব দেওয়া = জবাবদিহিতা।
সংগঠন করতে পারলে তবেই অংশ নিতে পারি।