বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরণের বনভূমি?
সঠিক উত্তর
কক্রান্তীয় চিরহরিৎ , আধা – চিরহরিৎ জাতীয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বনের ধরন নিয়ে। উত্তর ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ বন।
লাউয়াছড়া মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায়, উনিশশো ছিয়ানব্বই সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত, আয়তন প্রায় বারোশো পঞ্চাশ হেক্টর। সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনগুলো প্রচুর বৃষ্টির জন্য সারা বছর সবুজ থাকে; এদেরই বলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ বন। আধা-চিরহরিৎ মানে কিছু গাছ শুকনো মৌসুমে পাতা ঝরায়, কিন্তু বন কখনো পুরো ন্যাড়া হয় না।
লাউয়াছড়া বিখ্যাত উল্লুক বা পশ্চিমা হুলক গিবনের জন্য, যা বাংলাদেশের একমাত্র বনমানুষ। চশমাপরা হনুমান, লজ্জাবতী বানরও এখানে আছে।
পত্রপতনশীল বন হলো মধুপুর-ভাওয়ালের শালবন, যেখানে শীতে গাছ পাতা ঝরায়। ম্যানগ্রোভ হলো সুন্দরবনের মতো লবণাক্ত জোয়ার-ভাটার বন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বনের ধরন | উদাহরণ |
|---|---|
| ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ | লাউয়াছড়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেটের পাহাড় |
| ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্রপতনশীল (শালবন) | মধুপুর, ভাওয়াল, দিনাজপুর |
| ম্যানগ্রোভ (স্রোতজ) | সুন্দরবন |
| পাহাড়ি বনের কারণ | প্রচুর বৃষ্টি, সারা বছর সবুজ |
- বাংলাদেশের বন তিন ধরন: পাহাড়ি চিরহরিৎ, শালবন, ম্যানগ্রোভ।
- সিলেট-চট্টগ্রামের পাহাড়ি বন প্রচুর বৃষ্টিতে সারা বছর সবুজ।
- লাউয়াছড়া মৌলভীবাজারের পাহাড়ি বন: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ।
খ. ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়: ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্রপতনশীল বন মানে শালবন, যেমন মধুপুর ও ভাওয়াল।
গ. পত্র পতনশীল জাতীয়: পত্রপতনশীল বনে শুকনো মৌসুমে গাছ পাতা ঝরায়; লাউয়াছড়া সারা বছর প্রায় সবুজ।
ঘ. ম্যানগ্রোভ জাতীয়: ম্যানগ্রোভ বন লবণাক্ত উপকূলে, যেমন সুন্দরবন; লাউয়াছড়া পাহাড়ি বন।
পাহাড়ি বন চিরহরিৎ, গড়ের বন পত্রপতনশীল, উপকূলের বন ম্যানগ্রোভ।
উল্লুকের ঘর লাউয়াছড়া, সারা বছর সবুজ।