কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা কিসের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়?
সঠিক উত্তর
গগলনাংক
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কঠিন পদার্থের বিশুদ্ধতা কোন ধর্ম দিয়ে যাচাই করা হয়। উত্তর গলনাঙ্ক।
প্রতিটি বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হঠাৎ, তীক্ষ্ণভাবে গলে যায়। কিন্তু তাতে অপদ্রব্য মিশে থাকলে কেলাসের নিয়মিত সাজানো গঠন বিঘ্নিত হয়, ফলে পদার্থটি তুলনামূলক কম তাপমাত্রায় গলতে শুরু করে এবং একটি তাপমাত্রার পরিসর জুড়ে ধীরে গলে।
তাই পরীক্ষাগারে নমুনার গলনাঙ্ক মেপে বইয়ে দেওয়া মানের সঙ্গে মেলানো হয়। মিললে আর তীক্ষ্ণ হলে পদার্থ বিশুদ্ধ, কম বা ছড়ানো হলে অবিশুদ্ধ।
স্ফুটনাঙ্ক দিয়েও বিশুদ্ধতা যাচাই হয়, তবে সেটা তরলের ক্ষেত্রে; প্রশ্নে কঠিন পদার্থ বলা হয়েছে বলে স্ফুটনাঙ্ক ফাঁদ। ঘনীভবন ও বাষ্পীভবন অবস্থার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের পরীক্ষা নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নমুনা | যাচাইয়ের উপায় | ফল |
|---|---|---|
| বিশুদ্ধ কঠিন | গলনাঙ্ক | নির্দিষ্ট ও তীক্ষ্ণ |
| অবিশুদ্ধ কঠিন | গলনাঙ্ক | কম, একটি পরিসর জুড়ে |
| বিশুদ্ধ তরল | স্ফুটনাঙ্ক | নির্দিষ্ট |
| এই প্রশ্নে | কঠিন পদার্থ | গলনাঙ্ক |
- বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় তীক্ষ্ণভাবে গলে।
- অপদ্রব্য থাকলে গলনাঙ্ক কমে এবং একটি পরিসরে গলে।
- তাই কঠিনের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ে গলনাঙ্ক, তরলের ক্ষেত্রে স্ফুটনাঙ্ক।
ক. ঘনীভবন: ঘনীভবন হলো বাষ্প থেকে তরল হওয়ার প্রক্রিয়া, বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের মাপকাঠি নয়।
খ. বাষ্পীভবন: বাষ্পীভবন তরল থেকে বাষ্প হওয়ার প্রক্রিয়া; কঠিনের বিশুদ্ধতা এতে যাচাই হয় না।
ঘ. স্ফুটনাংক: স্ফুটনাঙ্ক তরলের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ে কাজে লাগে; প্রশ্নে কঠিন পদার্থের কথা বলা হয়েছে।
কঠিনের বিশুদ্ধতা গলনাঙ্কে, তরলের বিশুদ্ধতা স্ফুটনাঙ্কে।
কঠিন গলে প্রমাণ দেয়, তরল ফুটে প্রমাণ দেয়।