বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভু্ক্ত করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
খপঞ্চম তফসিলে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে আছে, তা জানতে চেয়েছে। ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ভাষণটি পঞ্চম তফসিলে যুক্ত করা হয়।
একই সংশোধনীতে স্বাধীনতার আরও দুটি দলিল যুক্ত হয়। ষষ্ঠ তফসিলে আছে ২৬ মার্চ ১৯৭১ এর প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, আর সপ্তম তফসিলে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
সহজ কৌশল: তিনটি দলিল সময়ের ক্রমে তিনটি তফসিলে বসানো। প্রথমে ৭ মার্চ, তারপর ২৬ মার্চ, তারপর ১০ এপ্রিল; অর্থাৎ পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম।
চতুর্থ তফসিল আলাদা বিষয়ের: এটি ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান নিয়ে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| তফসিল | দলিল |
|---|---|
| চতুর্থ | ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান |
| পঞ্চম | ৭ মার্চের ভাষণ |
| ষষ্ঠ | ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা |
| সপ্তম | ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র |
- পঞ্চদশ সংশোধনী, ২০১১: তিনটি ঐতিহাসিক দলিল সংবিধানে যুক্ত।
- সময়ের ক্রমে সাজাই: ৭ মার্চ, ২৬ মার্চ, ১০ এপ্রিল।
- ক্রম অনুযায়ী পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম তফসিল।
- তাই ৭ মার্চের ভাষণ পঞ্চম তফসিলে।
ক. চতুর্থ তফসিলে: চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান আছে, ভাষণ নয়।
গ. ষষ্ঠ তফসিলে: ষষ্ঠ তফসিলে আছে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
ঘ. সপ্তম তফসিলে: সপ্তম তফসিলে আছে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
পাঁচ, ছয়, সাত: ভাষণ, ঘোষণা, ঘোষণাপত্র।
আগে ভাষণ, পরে ঘোষণা, শেষে ঘোষণাপত্র।