বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত ?
সঠিক উত্তর
গভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত বনভূমি নিয়ে। উত্তর ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি।
ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জুড়ে বিস্তৃত ভাওয়াল-মধুপুর গড় প্লাইস্টোসিন যুগের উঁচু লাল মাটির চত্বরভূমি। এই শুকনো, পানি সরে যাওয়া মাটি শাল বা গজারি গাছের জন্য আদর্শ। শীতে গাছ পাতা ঝরায় বলে একে ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্রপতনশীল বন বলে। দিনাজপুর ও রংপুরের দিকেও শালবন আছে।
শাল কাঠ খুব শক্ত ও টেকসই, তাই ঘরের খুঁটি, রেলের স্লিপার ও আসবাবে ব্যবহার হয়েছে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও মধুপুর জাতীয় উদ্যান এই শালবন রক্ষার জন্য গঠিত।
সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বন পাহাড়ি চিরহরিৎ বন, গর্জন, চাপালিশ, সেগুনের জন্য পরিচিত। খুলনা-বরিশাল-পটুয়াখালীর বন ম্যানগ্রোভ, সুন্দরী ও গেওয়ার জন্য বিখ্যাত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বনভূমি | বিখ্যাত গাছ |
|---|---|
| সিলেটের বন | পাহাড়ি চিরহরিৎ গাছ, বাঁশ |
| পার্বত্য চট্টগ্রামের বন | গর্জন, চাপালিশ, সেগুন |
| খুলনা-বরিশাল-পটুয়াখালী | সুন্দরী, গেওয়া, গরান (ম্যানগ্রোভ) |
| ভাওয়াল ও মধুপুর | শাল বা গজারি |
- শাল জন্মায় উঁচু, শুকনো, লাল মাটিতে।
- এমন মাটি প্লাইস্টোসিন চত্বর ভাওয়াল-মধুপুর গড়ে।
- তাই ভাওয়াল ও মধুপুরের বন শালবন নামে বিখ্যাত।
ক. সিলেটের বনভূমি: সিলেটের বন পাহাড়ি চিরহরিৎ বন, শালবন নয়।
খ. পার্বত্য চট্রগ্রামের বনভূমি: পার্বত্য চট্টগ্রামের বন গর্জন, চাপালিশ ও সেগুনের জন্য পরিচিত।
ঘ. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি: খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন ম্যানগ্রোভ, সুন্দরী গাছের জন্য বিখ্যাত।
শাল মানেই গড়: ভাওয়াল, মধুপুর।
গড়ের লাল মাটিতে গজারির সারি।