২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে-
সঠিক উত্তর
কসাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনার বরাদ্দ জানতে চেয়েছে। সে বছর রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার জন্য মোট সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা রাখা হয়।
রপ্তানি প্রণোদনা মানে রপ্তানিকারকদের রপ্তানি মূল্যের নির্দিষ্ট অংশ নগদ টাকায় ফেরত দেওয়া। এর উদ্দেশ্য বিশ্ববাজারে দেশীয় পণ্যকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং নতুন পণ্য ও নতুন বাজারে রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।
তৈরি পোশাক ছাড়াও পাট, চামড়া, কৃষিপণ্য, হিমায়িত চিংড়ি, হালকা প্রকৌশল পণ্যের মতো খাত এই সুবিধা পায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তালিকায় নতুন ৯টি পণ্য যোগ হয়ে মোট পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৫।
বিকল্পগুলো এক হাজার কোটির ব্যবধানে সাজানো। সংখ্যাটি মনে রাখার উপায়: সাড়ে চার হাজার কোটি মানে পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রণোদনার ধরন | রপ্তানিতে নগদ সহায়তা |
| তালিকাভুক্ত পণ্য | ৩৫টি, নতুন ৯টিসহ |
| ২০১৮-১৯ অর্থবছর | সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা |
- রপ্তানি প্রণোদনা মানে রপ্তানিকারককে নগদ সহায়তা।
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নতুন ৯টি পণ্য যোগ হয়ে প্রণোদনার তালিকায় মোট ৩৫টি পণ্য।
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ: সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা।
খ. সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা: সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বরাদ্দ নয়; বরাদ্দ ছিল এক হাজার কোটি কম।
গ. সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা: সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রকৃত বরাদ্দের চেয়ে কম।
ঘ. সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা: সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ সে বছর ছিল না।
সাড়ে চার হাজার কোটি মানে পঁয়তাল্লিশ বিলিয়ন টাকা।
আঠারো-উনিশে প্রণোদনা সাড়ে চারে।