তথ্য পাওয়া মানুষের কী ধরনের অধিকার ?
সঠিক উত্তর
গমৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে তথ্য পাওয়া মানুষের কী ধরনের অধিকার। উত্তর মৌলিক অধিকার।
বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন, দুই হাজার নয়, যা ওই বছরের বিশ নম্বর আইন, তার প্রস্তাবনায় বলা আছে: সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক্স্বাধীনতা নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার, এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার এই স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। অর্থাৎ তথ্য অধিকার সংবিধানের ঊনচল্লিশ অনুচ্ছেদের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত।
এই আইনের লক্ষ্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো, দুর্নীতি কমানো এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। আইনটি কার্যকর করার জন্য দুই হাজার নয় সালেই তথ্য কমিশন গঠিত হয়।
রাজনৈতিক অধিকার বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ কিছু বইয়ে তথ্য অধিকারকে রাজনৈতিক অধিকারের তালিকায় রাখা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের আইনের ভাষায় এটি মৌলিক অধিকারের অংশ, তাই পরীক্ষার উত্তর মৌলিক অধিকার।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯৭২সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৩৯: বাক্স্বাধীনতা
- ২০০৮তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ
- ২০০৯তথ্য অধিকার আইন: তথ্য পাওয়া মৌলিক অধিকারের অংশ
- ২০০৯তথ্য কমিশন গঠন
- ১৯৭২: সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক্স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার।
- ২০০৮: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ।
- ২০০৯: তথ্য অধিকার আইন (২০ নং আইন): তথ্য প্রাপ্তি বাক্স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- ২০০৯: তথ্য কমিশন গঠন, আইন বাস্তবায়ন শুরু।
ক. রাজনৈতিক অধিকার: কিছু বইয়ে রাজনৈতিক অধিকার বলা হলেও বাংলাদেশের আইনে একে মৌলিক অধিকারের অংশ বলা হয়েছে।
খ. অর্থনৈতিক অধিকার: তথ্য অধিকার অর্থনৈতিক অধিকার, যেমন কাজ বা মজুরির অধিকারের মধ্যে পড়ে না।
ঘ. সামাজিক অধিকার: সামাজিক অধিকার বলতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতো অধিকার বোঝায়; তথ্য অধিকার আইনে মৌলিক অধিকারের অংশ।
তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ = ২০ নং আইন; প্রস্তাবনায় তথ্য অধিকারকে বাক্স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলা হয়েছে।
বাক্স্বাধীনতা মৌলিক, তাই তথ্য জানাও মৌলিক।