‘বিপরীত বৈষম্য’ এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয়-
সঠিক উত্তর
ঘপিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে বিপরীত বৈষম্যের নীতি কাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়। উত্তর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে।
বিপরীত বৈষম্য মানে সমাজে যারা ঐতিহাসিকভাবে পিছিয়ে আছে, তাদের সমান অবস্থানে আনতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া। একে ইতিবাচক বৈষম্য বা অ্যাফারমেটিভ অ্যাকশনও বলা হয়। আপাতদৃষ্টিতে এটি সমতার নীতির বিপরীত মনে হয়, কিন্তু লক্ষ্য হলো প্রকৃত সমতা।
বাংলাদেশের সংবিধানের আঠাশ অনুচ্ছেদের চতুর্থ দফা নারী, শিশু বা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান করার অনুমতি দেয়। ঊনত্রিশ অনুচ্ছেদের তৃতীয় দফা অনগ্রসর অংশের জন্য সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের সুযোগ রাখে। কোটা পদ্ধতি এর পরিচিত উদাহরণ।
নারী, সংখ্যালঘু ও প্রতিবন্ধী, তিনটিই আসলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উদাহরণ। তাই এদের যেকোনো একটি বেছে নেওয়া ফাঁদ; বৃহত্তর ও পূর্ণ উত্তর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| সাধারণ সমতা | সবার জন্য একই নিয়ম |
| সমস্যা | পিছিয়ে পড়ারা একই দৌড়ে পিছিয়েই থাকে |
| বিপরীত বৈষম্য | পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বাড়তি সুবিধা |
| সংবিধান | অনুচ্ছেদ ২৮(৪) ও ২৯(৩): অনগ্রসর অংশের জন্য বিশেষ বিধান |
- সমতার সাধারণ নীতি: সবার জন্য একই নিয়ম।
- কিন্তু পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠী একই নিয়মে সমান হতে পারে না।
- তাই তাদের বাড়তি সুবিধা: বিপরীত বৈষম্য, যেমন কোটা; নারী, সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী সবাই এর আওতায়।
ক. নারীদের ক্ষেত্রে: নারীরা এর আওতায় পড়ে, কিন্তু তারা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর একটি অংশ মাত্র।
খ. সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে: সংখ্যালঘুরাও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
গ. প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে: প্রতিবন্ধীরাও এর একটি অংশ; পূর্ণ উত্তর নয়।
উপদলগুলো আলাদা বিকল্পে থাকলে, সবাইকে ধারণ করে এমন বৃহত্তর বিকল্পটি উত্তর।
পিছিয়ে থাকা দৌড়বিদকে একটু আগে দাঁড় করানোই বিপরীত বৈষম্য।