সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হলো –
সঠিক উত্তর
ঘনিয়মিত কর প্রদান করা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য কী। উত্তর নিয়মিত কর প্রদান করা।
সরকার রাস্তা, স্কুল, হাসপাতাল, নিরাপত্তা ও বিচার ব্যবস্থা চালায় মূলত করের টাকায়। নাগরিক নিয়মিত কর দিলে সরকারের সম্পদ বাড়ে, আর করদাতা হিসেবে নাগরিক জানতে চাইতে পারেন টাকাটা কোথায় খরচ হলো। এভাবে কর দেওয়া জবাবদিহিতাও শক্ত করে।
পৌরনীতির আলোচনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হিসেবে সাধারণত আসে: নিয়মিত কর দেওয়া, আইন মানা, জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা, সংবিধান মেনে চলা, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন এবং সন্তানদের শিক্ষা দেওয়া। সংবিধানের একুশ অনুচ্ছেদেও আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষাকে নাগরিকের কর্তব্য বলা হয়েছে।
নিজের অধিকার ভোগ করা কর্তব্য নয়, অধিকার; এটাই বড় ফাঁদ। সরকার পরিচালনা সরকারের কাজ, আর সৎভাবে ব্যবসা করা শুধু ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সব নাগরিকের সাধারণ কর্তব্য নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিকল্প | এটি কী |
|---|---|
| নিজের অধিকার ভোগ | অধিকার, কর্তব্য নয় |
| সরকার পরিচালনায় সাহায্য | সরকারের কাজ |
| সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য | শুধু ব্যবসায়ীর প্রসঙ্গ |
| নিয়মিত কর প্রদান | সব নাগরিকের কর্তব্য |
- অধিকার ভোগ করা কর্তব্য নয়, অধিকার।
- সরকার পরিচালনা সরকারের কাজ; সৎ ব্যবসা শুধু ব্যবসায়ীর প্রসঙ্গ।
- নিয়মিত কর দেওয়া সব নাগরিকের কর্তব্য: সরকারের সম্পদ ও জবাবদিহি দুটোই বাড়ায়।
ক. সরকার পরিচালনায় সাহায্য করা: সরকার পরিচালনা নির্বাচিত সরকার ও প্রশাসনের কাজ, সাধারণ নাগরিকের কর্তব্য নয়।
খ. নিজের অধিকার ভোগ করা: অধিকার ভোগ করা অধিকার, কর্তব্য নয়।
গ. সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করা: সৎ ব্যবসা ভালো, কিন্তু এটি শুধু ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অধিকার আর কর্তব্য আলাদা করুন: ভোগ করা অধিকার, দেওয়া ও মানা কর্তব্য।
কর দিই, তাই হিসাবও চাই।