সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
সঠিক উত্তর
ঘঅনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির ভিত্তি। উত্তর অনুচ্ছেদ পঁচিশ।
পঁচিশ অনুচ্ছেদের শিরোনাম আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন। এতে বলা আছে, রাষ্ট্র অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নীতি মেনে চলবে।
এই নীতির সারকথা হলো সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। অনুচ্ছেদটি সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে।
পাশের অনুচ্ছেদগুলো গুলিয়ে ফেলা সাধারণ ভুল: বাইশে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ, তেইশে জাতীয় সংস্কৃতি, চব্বিশে জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| অনুচ্ছেদ | বিষয় |
|---|---|
| ২২ | নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ |
| ২৩ | জাতীয় সংস্কৃতি |
| ২৪ | জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন |
| ২৫ | আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতি |
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি; সেখানে পাশাপাশি কয়েকটি অনুচ্ছেদ।
- বাইশ, তেইশ ও চব্বিশ অনুচ্ছেদ দেশের ভেতরের বিষয় নিয়ে।
- পঁচিশ অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও সংহতি, মানে বৈদেশিক নীতি।
ক. অনুচ্ছেদ ২২: বাইশ অনুচ্ছেদ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলে।
খ. অনুচ্ছেদ ২৩: তেইশ অনুচ্ছেদ জাতীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশ নিয়ে।
গ. অনুচ্ছেদ ২৪: চব্বিশ অনুচ্ছেদ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থান রক্ষা নিয়ে।
পঁচিশ মানে পররাষ্ট্র: দুটোই প দিয়ে শুরু।
পঁচিশে পররাষ্ট্র, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব।