‘বেঙ্গল ফ্যান’-ভূমিরূপটি কোথায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর
খবঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গীয় ব্যজনী ভূমিরূপের অবস্থান নিয়ে। উত্তর বঙ্গোপসাগর।
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা প্রতি বছর বিপুল পলি বয়ে এনে বঙ্গোপসাগরে ফেলে। এই পলির বড় অংশ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামের সাগরতলের গভীর খাদ দিয়ে ঘোলা স্রোতের সঙ্গে নেমে গিয়ে গভীর সমুদ্রের তলায় পাখার মতো ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে লাখ লাখ বছরে জমে গড়ে উঠেছে বেঙ্গল ফ্যান।
এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ডুবো পলল পাখা; লম্বায় প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার, চওড়ায় প্রায় চোদ্দশো কিলোমিটার, আর পলির স্তর কোথাও সাড়ে ষোলো কিলোমিটার পুরু। এটি আসলে হিমালয় থেকে ক্ষয়ে আসা পলির ভান্ডার।
নামে ফ্যান বা পাখা শুনে স্থলভাগের পলল পাখার কথা মনে হতে পারে, যা পাহাড়ের পাদদেশে হয়। কিন্তু বেঙ্গল ফ্যান পুরোটাই সাগরের নিচে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বিপুল পলি আনে।
- পলি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ দিয়ে গভীর সাগরে নামে।
- সাগরতলে পাখার মতো ছড়িয়ে বেঙ্গল ফ্যান: বিশ্বের বৃহত্তম ডুবো পাখা।
ক. মধুপুর গড়ে: মধুপুর গড় প্লাইস্টোসিন যুগের স্থলভাগের চত্বরভূমি, সাগরতলের ভূমিরূপ নয়।
গ. হাওর অঞ্চলে: হাওর অঞ্চল উত্তর-পূর্বের নিচু জলাভূমি, এখানে বেঙ্গল ফ্যান নেই।
ঘ. টারশিয়ারি পাহাড়ে: টারশিয়ারি পাহাড় দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বের ভাঁজ পর্বত, সাগরের পলল পাখা নয়।
বেঙ্গল ফ্যান = বঙ্গোপসাগরের তলার বিশ্বের বৃহত্তম ডুবো পাখা।
হিমালয়ের মাটি ঘুমায় বঙ্গোপসাগরের তলায়।