“সুশাসন চারটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল”। – এই অভিমত কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
সঠিক উত্তর
গবিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক উনিশশো বিরানব্বই সালে গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিবেদনে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ বা ক্ষেত্র চিহ্নিত করে, এবং উনিশশো চুরানব্বই সালের প্রতিবেদনে তা আবার তুলে ধরে। এ কারণে প্রচলিত উত্তর বিশ্বব্যাংক।
চারটি স্তম্ভ হলো সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, উন্নয়নের জন্য আইনি কাঠামো, এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও স্বচ্ছতা। সহজ কথায়, সরকার দক্ষ হবে, জবাব দেবে, আইন মেনে চলবে এবং খোলামেলা থাকবে।
সাবধান থাকুন: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকও উনিশশো পঁচানব্বই সালের সুশাসন নীতিতে চারটি মৌলিক উপাদান দেয়: জবাবদিহি, অংশগ্রহণ, পূর্বানুমেয়তা ও স্বচ্ছতা; এডিবির পরের দলিলে এগুলোকে স্তম্ভই বলা হয়েছে। তাই এই বিকল্পটিও যুক্তিসংগত। আর জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি উনিশশো সাতানব্বই সালে নয়টি বৈশিষ্ট্যের কথা বলে।
তবু প্রকাশিত সব সমাধানে উত্তর বিশ্বব্যাংক, কারণ চার ক্ষেত্রের ধারণাটি বিশ্বব্যাংক আগে, উনিশশো বিরানব্বই সালে দেয়। পরে বিশ্বব্যাংকের মতে উপাদান কয়টি, এই প্রশ্নে উত্তর আসে ছয়টি, যা ওয়ার্ল্ডওয়াইড গভর্ন্যান্স ইন্ডিকেটরস থেকে; চার আর ছয় গুলিয়ে ফেলবেন না।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| সংস্থা ও সাল | সুশাসনের উপাদান |
|---|---|
| বিশ্বব্যাংক, ১৯৯২ | সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, আইনি কাঠামো, স্বচ্ছতা ও তথ্য |
| এডিবি, ১৯৯৫ | জবাবদিহি, অংশগ্রহণ, পূর্বানুমেয়তা, স্বচ্ছতা |
| ইউএনডিপি, ১৯৯৭ | নয়টি বৈশিষ্ট্য |
| প্রশ্নের উত্তর | বিশ্বব্যাংক: চার স্তম্ভ |
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালের প্রতিবেদনে সুশাসনের চার ক্ষেত্র বলে।
- সেগুলো: সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, আইনি কাঠামো, স্বচ্ছতা ও তথ্য।
- এডিবি ১৯৯৫ সালে চার উপাদান দেয়, পরে সেগুলোকে স্তম্ভও বলে; ইউএনডিপি ১৯৯৭ সালে নয় বৈশিষ্ট্য।
- চার স্তম্ভের প্রচলিত উত্তর: বিশ্বব্যাংক।
ক. জাতিসংঘ: জাতিসংঘ সামগ্রিকভাবে সুশাসনের আরও বেশি বৈশিষ্ট্যের কথা বলে, চার স্তম্ভের অভিমত তার নয়।
খ. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি: ইউএনডিপি ১৯৯৭ সালে সুশাসনের নয়টি বৈশিষ্ট্য বলে।
ঘ. এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক: এডিবিও ১৯৯৫ সালে চারটি উপাদান দেয় এবং পরে সেগুলোকে স্তম্ভ বলে, তাই বিকল্পটি যুক্তিসংগত; তবে প্রকাশিত সব সমাধানে উত্তর বিশ্বব্যাংক।
চার স্তম্ভ: বিশ্বব্যাংক, ১৯৯২। উপাদান ছয়টি: বিশ্বব্যাংকের সূচক।
ব্যাংকের চার খুঁটি: দক্ষতা, জবাবদিহি, আইন, স্বচ্ছতা।