১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ৰমৃত্যুর প্রতিবাদে কোন উপাচার্য পদত্যাগ করেছিলেন?
সঠিক উত্তর
ঘবিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি একাত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই উপাচার্যকে খুঁজছে, যিনি ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন। তিনি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
উনিশশো একাত্তরের মার্চে তিনি জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সভায় যোগ দিতে জেনেভায় ছিলেন। সেখানে বসে ঢাকায় ছাত্রহত্যার খবর পেয়ে তিনি উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
এরপর তিনি মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়েন। স্বাধীনতার পর বাহাত্তরের জানুয়ারিতে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।
ফাঁদ হলো সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন। তিনি একাত্তরের মাঝামাঝি উপাচার্য হন এবং পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন, প্রতিবাদে পদত্যাগকারী নন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| উপাচার্য | পরিচিতি |
|---|---|
| স্যার এ এফ রহমান | প্রথম মুসলিম উপাচার্য, ১৯৩৪ |
| রমেশচন্দ্র মজুমদার | ইতিহাসবিদ, ১৯৩৭ থেকে ১৯৪২ |
| সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন | একাত্তরে পাকিস্তানপন্থী উপাচার্য |
| আবু সাঈদ চৌধুরী | ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে পদত্যাগ, পরে রাষ্ট্রপতি |
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন পরিচিত উপাচার্যকে আলাদা করি।
- এ এফ রহমান ও রমেশচন্দ্র মজুমদার স্বাধীনতার অনেক আগের উপাচার্য।
- একাত্তরে প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন আবু সাঈদ চৌধুরী, পরে রাষ্ট্রপতি।
ক. স্যার এ. এফ. রহমান: স্যার এ এফ রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম উপাচার্য, দায়িত্ব পান ১৯৩৪ সালে; একাত্তরের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
খ. রমেশচন্দ্র মজুমদার: রমেশচন্দ্র মজুমদার খ্যাতিমান ইতিহাসবিদ, উপাচার্য ছিলেন চল্লিশের দশকের শুরুতে।
গ. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন: সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন একাত্তরের মাঝামাঝি উপাচার্য হন এবং পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন; প্রতিবাদে পদত্যাগ করেননি।
জেনেভায় বসে পদত্যাগ, পরে রাষ্ট্রপতি: এই দুই তথ্য একসঙ্গে মনে রাখলে নাম ভুল হয় না।
জেনেভা থেকে প্রতিবাদ, বঙ্গভবনে শেষ: আবু সাঈদ চৌধুরী।