১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
সঠিক উত্তর
ক৩টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ছয় দফার বিষয়বস্তু জানতে চেয়েছে। ছয় দফার মধ্যে তিনটি দফা সরাসরি অর্থনীতি বিষয়ক: তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফা।
প্রথম দফা ছিল সংসদীয় পদ্ধতির ফেডারেল সরকার গঠনের দাবি, আর দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রের হাতে শুধু প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র রাখার কথা। এ দুটি শাসনতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে।
তৃতীয় দফা মুদ্রা নিয়ে: দুই অঞ্চলের জন্য আলাদা মুদ্রা, বা একক মুদ্রা থাকলেও পূর্ব থেকে পশ্চিমে পুঁজি পাচার বন্ধের ব্যবস্থা। চতুর্থ দফা কর ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যের হাতে দেওয়ার দাবি। পঞ্চম দফা বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব নিয়ে।
ষষ্ঠ দফা ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আধা সামরিক বাহিনী গঠনের দাবি, এটি অর্থনীতির নয়। তাই সবগুলোকে অর্থনৈতিক ভেবে বড় সংখ্যা বেছে নেওয়াই এখানে ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দফা | বিষয় | ধরন |
|---|---|---|
| প্রথম | সংসদীয় ফেডারেল সরকার | শাসনতান্ত্রিক |
| দ্বিতীয় | কেন্দ্রের হাতে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র | শাসনতান্ত্রিক |
| তৃতীয় | মুদ্রা ও মুদ্রানীতি | অর্থনৈতিক |
| চতুর্থ | কর ও রাজস্ব | অর্থনৈতিক |
| পঞ্চম | বৈদেশিক বাণিজ্য ও মুদ্রা | অর্থনৈতিক |
| ষষ্ঠ | আঞ্চলিক আধা সামরিক বাহিনী | নিরাপত্তা |
- প্রথম ও দ্বিতীয় দফা: সরকারের কাঠামো ও কেন্দ্রের ক্ষমতা।
- তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফা: মুদ্রা, কর-রাজস্ব ও বৈদেশিক বাণিজ্য।
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক আধা সামরিক বাহিনী। অর্থনীতির দফা মোট তিনটি।
খ. ৪টি: চারটি ধরলে প্রথম বা ষষ্ঠ দফাকেও অর্থনৈতিক ধরতে হয়; কিন্তু সেগুলো শাসন কাঠামো ও নিরাপত্তা বিষয়ক।
গ. ৫টি: পাঁচটি ধরলে শাসনতান্ত্রিক দফাগুলোকেও অর্থনীতিতে ঢোকানো হয়, যা ঠিক নয়।
ঘ. ৬টি: ছয় দফার সবগুলো অর্থনীতির নয়; প্রথম দুটি সরকারের কাঠামো আর শেষটি আঞ্চলিক বাহিনী নিয়ে।
ছয় দফার মাঝের তিনটি, মানে তিন-চার-পাঁচ, অর্থনীতির।
শুরু দুটি শাসন, মাঝে তিনটি টাকা, শেষে একটি সেনা।