কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
সঠিক উত্তর
গচেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা সাংবিধানিক পদ আর আইন দিয়ে তৈরি পদের পার্থক্য বুঝতে চেয়েছে। যে প্রতিষ্ঠান বা পদের কথা সংবিধানেই লেখা, সেটি সাংবিধানিক; আর যেটি সংসদের পাস করা আইনে তৈরি, সেটি সংবিধিবদ্ধ।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর মাধ্যমে। সংবিধানে এই কমিশনের উল্লেখ নেই, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নয়।
বাকি তিনটি পদ সংবিধানে আছে। নির্বাচন কমিশন অনুচ্ছেদ ১১৮ এ, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক অনুচ্ছেদ ১২৭ এ, আর সরকারি কর্ম কমিশন অনুচ্ছেদ ১৩৭ এ।
একই রকম আইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হলো দুর্নীতি দমন কমিশন ও তথ্য কমিশন। কমিশন শব্দ দেখেই সব কমিশনকে সাংবিধানিক ভাবা এখানে ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| পদ | ভিত্তি |
|---|---|
| প্রধান নির্বাচন কমিশনার | অনুচ্ছেদ ১১৮ |
| মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক | অনুচ্ছেদ ১২৭ |
| সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান | অনুচ্ছেদ ১৩৭ |
| মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান | আইন, ২০০৯ |
- সংবিধানে লেখা পদ সাংবিধানিক, আইনে তৈরি পদ সংবিধিবদ্ধ।
- নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও পিএসসি সংবিধানে আছে।
- মানবাধিকার কমিশন এসেছে ২০০৯ সালের আইনে, তাই সাংবিধানিক নয়।
ক. প্রধান নির্বাচন কমিশনার: প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে আছে, তাই এটি সাংবিধানিক।
খ. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন: সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে প্রতিষ্ঠিত, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ।
ঘ. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল: মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদ সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদে আছে।
সংবিধানে আছে নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন; মানবাধিকার কমিশন ও দুদক আইনে তৈরি।
সংবিধানে নাম থাকলে সাংবিধানিক, আইনে জন্ম হলে সংবিধিবদ্ধ।