বাংলাদেশের কোথায় প্লায়িস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
সঠিক উত্তর
গকুমিল্লা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা চত্বরভূমি দেখা যায়। উত্তর কুমিল্লা। প্রশ্নপত্রে বানান প্লায়িস্টোসিন ছাপা হয়েছে, সঠিক বানান প্লাইস্টোসিন।
প্লাইস্টোসিন কাল প্রায় ছাব্বিশ লাখ থেকে বারো হাজার বছর আগের সময়। তখনকার জমা পলি পরে কিছুটা উঁচু হয়ে আশপাশের প্লাবন সমভূমি থেকে কয়েক মিটার উঁচু সিঁড়ির ধাপের মতো সোপান তৈরি করেছে। এর মাটি লালচে ও শক্ত, বন্যায় সহজে ডোবে না।
বাংলাদেশে এমন সোপান তিনটি: বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, আর কুমিল্লার লালমাই পাহাড়। লালমাই কুমিল্লা শহরের কাছে লাল মাটির টিলা; এখানেই ময়নামতির প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
বান্দরবান পাহাড়ি জেলা বলে উঁচু ভূমি খুঁজতে গিয়ে অনেকে বেছে নেন, কিন্তু সেখানকার পাহাড় আরও পুরোনো টারশিয়ারি যুগের। কুষ্টিয়া ও বরিশাল নবীন প্লাবন সমভূমি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| স্থান | ভূমিরূপ |
|---|---|
| বান্দরবান | টারশিয়ারি পাহাড় |
| কুষ্টিয়া | গঙ্গার প্লাবন সমভূমি |
| বরিশাল | নবীন ব-দ্বীপ সমভূমি |
| কুমিল্লা (লালমাই) | প্লাইস্টোসিন সোপান |
- প্লাইস্টোসিন সোপান তিনটি: বরেন্দ্র, মধুপুর-ভাওয়াল, লালমাই।
- বান্দরবান টারশিয়ারি পাহাড়; কুষ্টিয়া ও বরিশাল প্লাবন সমভূমি।
- লালমাই পাহাড় কুমিল্লায়: উত্তর কুমিল্লা।
ক. বান্দরবান: বান্দরবানের পাহাড় টারশিয়ারি যুগের, প্লাইস্টোসিন সোপানের চেয়েও পুরোনো।
খ. কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া গঙ্গার নবীন প্লাবন সমভূমি।
ঘ. বরিশাল: বরিশাল সাম্প্রতিক কালের ব-দ্বীপ সমভূমি।
প্লাইস্টোসিন সোপান তিন: বরেন্দ্র, মধুপুর-ভাওয়াল, লালমাই (কুমিল্লা)।
লালমাইয়ের লাল মাটি প্লাইস্টোসিনের সাক্ষী।