নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?
সঠিক উত্তর
খনড়িয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নদীভাঙনপ্রবণ উপজেলা চেনা নিয়ে। বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাঙনপ্রবণ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা।
নড়িয়া পদ্মার ডান তীরে। পদ্মা বিশাল পরিমাণ পানি আর পলি বহন করে এবং প্রায়ই গতিপথ বদলায়, তাই তীর ভাঙে দ্রুত। দুই হাজার আঠারো সালের বর্ষায় নড়িয়ায় পদ্মার ভাঙনে হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন হয়, বাজার, হাসপাতাল ও বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়। এই ঘটনা তখন সারা দেশে আলোচিত ছিল।
উত্তর মনে রাখার উপায়: বড় নদীর তীরে থাকা উপজেলাই ভাঙনের শিকার হয়। বাকি তিনটি পদ্মা, যমুনা বা মেঘনার মতো বড় নদীর তীরে নয়।
নিকলি নামটি অনেকে বেছে নেন, কারণ এটি হাওরে পানিবেষ্টিত। কিন্তু হাওরের সমস্যা বন্যা ও ঢেউয়ের আঘাত, পদ্মার মতো বড় নদীর তীরভাঙন নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| উপজেলা | জেলা | পরিচয় |
|---|---|---|
| বোয়ালমারী | ফরিদপুর | সমতল কৃষি এলাকা |
| আলমডাঙ্গা | চুয়াডাঙ্গা | পশ্চিমের সমতল এলাকা |
| নিকলি | কিশোরগঞ্জ | হাওর এলাকা |
| নড়িয়া | শরীয়তপুর | পদ্মার তীর, তীব্র নদীভাঙন |
- নদীভাঙন হয় বড়, পলিবাহী ও গতিপথ বদলানো নদীর তীরে।
- বোয়ালমারী, আলমডাঙ্গা ও নিকলি পদ্মা-যমুনা-মেঘনার তীরে নয়।
- নড়িয়া, শরীয়তপুর: পদ্মার তীরে, ২০১৮ সালে ভয়াবহ ভাঙন।
ক. বোয়ালমারী: বোয়ালমারী ফরিদপুরের উপজেলা, বড় নদীর তীরে নয়; তীব্র ভাঙনের জন্য পরিচিত নয়।
গ. আলমডাঙ্গা: আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গার সমতল এলাকা; বড় নদীর ভাঙন সেখানে প্রধান সমস্যা নয়।
ঘ. নিকলি: নিকলি কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকা; এখানকার সমস্যা বন্যা ও ঢেউ, বড় নদীর তীরভাঙন নয়।
ভাঙনের প্রশ্নে খুঁজুন কোন উপজেলা পদ্মা, যমুনা বা মেঘনার তীরে।
পদ্মা যার পাশে, ভাঙন তার ঘাড়ে: নড়িয়া।