দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন স্তরটি বেশি ব্যয়বহুল?
সঠিক উত্তর
গপ্রশমন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের ধাপ নিয়ে। প্রচলিত গাইড-উত্তর অনুযায়ী সবচেয়ে ব্যয়বহুল ধাপ প্রশমন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের ধাপগুলো হলো দুর্যোগের আগে প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি, দুর্যোগের সময় সাড়াদান, আর দুর্যোগের পরে পুনরুদ্ধার। প্রশমন মানে দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে আগে থেকেই স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
প্রশমনের কাজগুলো বড় অবকাঠামোর: বেড়িবাঁধ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, নদীশাসন, ভূমিকম্প-সহনীয় ভবন, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী। এগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি বিপুল বিনিয়োগ লাগে, তাই একে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ধরা হয়। অন্যদিকে পূর্বপ্রস্তুতি মানে মহড়া, সতর্কবার্তা, ত্রাণ মজুদ; এতে খরচ তুলনামূলক কম।
পুনরুদ্ধার বিকল্পটি বড় ফাঁদ, কারণ বড় দুর্যোগের পর পুনর্গঠনেও অনেক টাকা লাগে। তবে প্রচলিত উত্তর প্রশমন, কারণ এটি পরিকল্পিত স্থায়ী কাঠামোগত বিনিয়োগ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| ধাপ | কাজের উদাহরণ |
|---|---|
| পূর্বপ্রস্তুতি | মহড়া, সতর্কবার্তা, ত্রাণ মজুদ |
| সাড়াদান | উদ্ধার, আশ্রয়, জরুরি ত্রাণ |
| পুনরুদ্ধার | ঘরবাড়ি ও জীবিকা পুনর্গঠন |
| প্রশমন | বেড়িবাঁধ, আশ্রয়কেন্দ্র, টেকসই অবকাঠামো |
- চক্র: প্রশমন, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার।
- পূর্বপ্রস্তুতি ও সাড়াদান মূলত মহড়া, সতর্কবার্তা, উদ্ধার ও ত্রাণ।
- পুনরুদ্ধার দুর্যোগের পরে ক্ষতি সারানো।
- প্রশমনে বাঁধ, আশ্রয়কেন্দ্র, টেকসই ভবন: সবচেয়ে বেশি স্থায়ী বিনিয়োগ।
ক. পূর্বপ্রস্তুতি: পূর্বপ্রস্তুতিতে মহড়া, সতর্কবার্তা ও ত্রাণ মজুদের মতো কম খরচের কাজ হয়।
খ. সাড়াদান: সাড়াদান দুর্যোগের সময়ের স্বল্পমেয়াদি উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ; স্থায়ী বড় বিনিয়োগ নয়।
ঘ. পুনরুদ্ধার: বড় দুর্যোগের পর পুনরুদ্ধারেও খরচ হয়, তাই এটি ফাঁদ; তবে গাইড-উত্তর প্রশমন।
যে ধাপে কংক্রিটের বড় কাঠামো বানাতে হয়, সেটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল: প্রশমন।
বাঁধ বাঁধতে টাকা বেশি, তাই প্রশমন সবচেয়ে দামি।