বাংলাদেশে জি-কে প্রকল্প একটি-
সঠিক উত্তর
ঘসেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জি-কে প্রকল্পের ধরন জানতে চেয়েছে। জি-কে প্রকল্প একটি সেচ প্রকল্প।
জি-কে মানে গঙ্গা-কপোতাক্ষ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পাম্প হাউস দিয়ে গঙ্গা বা পদ্মা নদী থেকে পানি তুলে খালের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরার জমিতে সেচ দেওয়া হয়। উনিশশো চুয়ান্ন-পঞ্চান্ন অর্থবছরে এর কাজ শুরু হয়, আর এটি দেশের অন্যতম বড় ভূ-উপরিস্থ পানির সেচ ব্যবস্থা।
সেচ প্রকল্প মানে কৃষিজমিতে পানি পৌঁছে দেওয়া। দেশের আরেকটি বড় সেচ প্রকল্প হলো লালমনিরহাট-নীলফামারীর তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প। আর জলবিদ্যুৎ বলতে কাপ্তাই, যা একেবারে আলাদা জিনিস।
নদী থেকে পানি তোলে বলে অনেকে নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ভাবেন। কিন্তু উদ্দেশ্য নদীকে শাসন করা নয়, ফসলের জন্য পানি দেওয়া।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| প্রকল্প | ধরন | অবস্থান |
|---|---|---|
| জি-কে, গঙ্গা-কপোতাক্ষ | নামের অর্থ | কুষ্টিয়া, ভেড়ামারা |
| কাপ্তাই | জলবিদ্যুৎ | রাঙামাটি |
| তিস্তা ব্যারেজ | সেচ | লালমনিরহাট-নীলফামারী |
| জি-কে প্রকল্প | সেচ | কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা |
- জি-কে মানে গঙ্গা-কপোতাক্ষ।
- ভেড়ামারায় পাম্প দিয়ে গঙ্গা থেকে পানি তোলা হয়।
- খাল দিয়ে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরার জমিতে সেচ: এটি সেচ প্রকল্প।
ক. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প: বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ে; জি-কে প্রকল্প বিদ্যুৎ নয়, সেচ দেয়।
খ. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প: জি-কে নদী থেকে পানি তোলে, কিন্তু উদ্দেশ্য নদী শাসন নয়, কৃষিজমিতে সেচ।
গ. জল পরিবহন প্রকল্প: এর খাল দিয়ে নৌযান চলাচলের জন্য প্রকল্পটি বানানো হয়নি; এটি সেচের জন্য।
জি-কে আর তিস্তা ব্যারেজ মানে সেচ, কাপ্তাই মানে জলবিদ্যুৎ।
গঙ্গার পানি কপোতাক্ষের দেশে, ফসল বাঁচে জি-কে সেচে।