দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?
সঠিক উত্তর
ঙকোনোটিই নয়
প্রশ্নটি ৪৫তম বিসিএস (২০২৩) পরীক্ষার, তখনকার তথ্য অনুযায়ী। তখন সঠিক উত্তর ছিল: ময়মনসিংহ। এখন অবস্থা বদলেছে — এখনকার সঠিক উত্তর: গাইবান্ধা (তিস্তা সোলার, ২০০ মেগাওয়াট, ২০২৩)।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা পরীক্ষার সময়ের দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেলা জানতে চেয়েছে। উত্তর ময়মনসিংহ।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২০ সালের শেষে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয় এবং তখন দেশের সবচেয়ে বড় সৌরকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায়। বিকল্পের অন্য তিন জেলায় এর চেয়ে বড় কোনো চালু কেন্দ্র তখন ছিল না।
একটি সূক্ষ্ম বিষয় জেনে রাখা ভালো: পরীক্ষার আগেই, ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর চরে ২০০ মেগাওয়াটের তিস্তা সোলার পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিডে বিদ্যুৎ দিচ্ছিল; আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় পরীক্ষার পরে, ২০২৩ সালের ২ আগস্ট। গাইবান্ধা বিকল্পে না থাকায় এই প্রশ্নে ময়মনসিংহই সঠিক।
এ ধরনের সবচেয়ে বড় প্রশ্নের উত্তর সময়ের সঙ্গে বদলায়, তাই কোন সময়ের তথ্য চাওয়া হচ্ছে তা খেয়াল রাখুন। অনেকে চট্টগ্রামের মতো বড় শহরের নাম দেখে সেটি বেছে নেন, কিন্তু সৌরকেন্দ্রের আকার শহরের আকারের উপর নির্ভর করে না।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ২০২০গৌরীপুর, ময়মনসিংহ, ৫০ মেগাওয়াট চালু
- ২০২২তিস্তা সোলার, গাইবান্ধা, পরীক্ষামূলক উৎপাদন
- ২০২৩তিস্তা সোলার, ২০০ মেগাওয়াট, উদ্বোধন
- সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আকার মাপা হয় মেগাওয়াটে।
- ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৫০ মেগাওয়াট, ২০২০ সালে চালু।
- বিকল্পগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়; পরে গাইবান্ধার ২০০ মেগাওয়াট তাকে ছাড়িয়ে যায়।
ক. চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে গৌরীপুরের চেয়ে বড় কোনো চালু সৌরকেন্দ্র তখন ছিল না।
খ. ফেনী: ফেনীতে গৌরীপুরের চেয়ে বড় কোনো চালু সৌরকেন্দ্র তখন ছিল না।
গ. নরসিংদী: নরসিংদীতে গৌরীপুরের চেয়ে বড় কোনো চালু সৌরকেন্দ্র তখন ছিল না।
বিকল্পে গাইবান্ধা না থাকলে বড় সৌরকেন্দ্র মানে ময়মনসিংহের গৌরীপুর।
গৌরীপুরে পঞ্চাশ, তিস্তায় দুইশো।