বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
সঠিক উত্তর
ঙকোনোটিই নয়
প্রশ্নটি ৪৫তম বিসিএস (২০২৩) পরীক্ষার, তখনকার তথ্য অনুযায়ী। তখন সঠিক উত্তর ছিল: ১১ (এগার) টি। এখন অবস্থা বদলেছে — এখনকার সঠিক উত্তর: ৬৪টি (সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা পরীক্ষার সময় বাংলাদেশের নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। জিআই হলো এমন পণ্যের স্বীকৃতি, যার গুণ বা খ্যাতি একটি নির্দিষ্ট এলাকার মাটি, আবহাওয়া বা ঐতিহ্যের সাথে জড়িত।
বাংলাদেশে এই নিবন্ধন দেয় পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি, ২০১৬ সালে; দ্বিতীয় ইলিশ, ২০১৭ সালে। এরপর যুক্ত হয় ক্ষীরশাপাতি আম, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, কালিজিরা চাল, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল ও নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি।
এর পর বাগদা চিংড়ি ২০২২ সালে এবং রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম যুক্ত হয়ে সংখ্যা দাঁড়ায় এগারো। ২০২৩ সালের এপ্রিলের হিসাবেও সংখ্যাটি এগারো ছিল, তাই পরীক্ষার সময় সঠিক উত্তর এগারোটি।
নয়টি ছিল বাগদা চিংড়ি ও ফজলি আম যুক্ত হওয়ার আগের হিসাব, আর দশটি এর মাঝের হিসাব। পুরোনো সংখ্যা মনে রাখলেই এই ভুল হয়। পরীক্ষার পরে আরও বহু পণ্য তালিকায় এসেছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ২০১৬জামদানি শাড়ি, প্রথম জিআই পণ্য
- ২০১৭ইলিশ, দ্বিতীয় জিআই পণ্য
- ২০২২বাগদা চিংড়ি জিআই সনদ পায়
- ২০২৩এপ্রিলের হিসাবে মোট এগারোটি
- ২০১৬: প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- ২০১৭: দ্বিতীয় জিআই পণ্য ইলিশ; এরপর আম, মসলিন, সিল্ক, শতরঞ্জি, চাল ও সাদামাটি।
- ২০২২: বাগদা চিংড়ি, তারপর ফজলি আম যুক্ত হয়।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল, পরীক্ষার আগে: মোট এগারোটি জিআই পণ্য।
ক. ৯ (নয়) টি: নয়টি ছিল বাগদা চিংড়ি ও ফজলি আম যুক্ত হওয়ার আগের পুরোনো হিসাব।
খ. ১০ (দশ) টি: দশটি ছিল ফজলি আম যুক্ত হওয়ার আগের হিসাব; পরীক্ষার সময় সংখ্যা এগারো।
ঘ. ১২ (বার) টি: বারোতম পণ্যসহ পরবর্তী পণ্যগুলো নিবন্ধিত হয় এই পরীক্ষার পরে।
পরীক্ষার তারিখ দেখে সংখ্যা ঠিক করুন: ২০২৩ সালের মাঝামাঝির আগে এগারো, এরপর দ্রুত বেড়েছে।
জামদানি থেকে ফজলি: এগারো পণ্যের এক তালিকা।