নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
সঠিক উত্তর
গতিতাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা মজুদের দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র জানতে চেয়েছে। উত্তর তিতাস, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত এবং ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয়।
তিতাসের মজুদ দেশের অন্য যেকোনো গ্যাসক্ষেত্রের চেয়ে বেশি ধরা হয়, তাই একে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বলা হয়। ঢাকা অঞ্চলে গ্যাস বিতরণকারী কোম্পানির নামও তিতাস।
বিকল্পের বাকি তিনটিও পুরোনো ও পরিচিত গ্যাসক্ষেত্র, তবে মজুদে তিতাসের চেয়ে ছোট। হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৬৩ সালে, কুমিল্লার বাখরাবাদ ১৯৬৯ সালে, আর সিলেটের হরিপুর ১৯৫৫ সালে, যা দেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র।
একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখুন। মজুদে বৃহত্তম তিতাস, কিন্তু পরীক্ষার সময় দৈনিক সবচেয়ে বেশি গ্যাস উঠত হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা থেকে, যা দেশের মোট উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি জোগাত। আর প্রথম আবিষ্কারের প্রশ্নে উত্তর হরিপুর।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| গ্যাসক্ষেত্র | জেলা ও আবিষ্কার | পরিচিতি |
|---|---|---|
| হরিপুর | সিলেট, ১৯৫৫ | দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র |
| বাখরাবাদ | কুমিল্লা, ১৯৬৯ | মজুদ তিতাসের চেয়ে অনেক কম |
| হবিগঞ্জ | হবিগঞ্জ, ১৯৬৩ | বড়, তবে তিতাসের চেয়ে ছোট |
| তিতাস | ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৯৬২ | মজুদে বৃহত্তম |
- হরিপুর ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র; এটি বিখ্যাত প্রথম হওয়ার জন্য, মজুদের জন্য নয়।
- বাখরাবাদ কুমিল্লায়, আবিষ্কার ১৯৬৯; মজুদ তিতাসের চেয়ে অনেক কম।
- হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত; বড় ক্ষেত্র, তবে তিতাসের চেয়ে ছোট।
- তিতাস, ১৯৬২: মজুদে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র।
ক. বাখরাবাদ: কুমিল্লার বাখরাবাদ ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত; এর মজুদ তিতাসের তুলনায় অনেক কম।
খ. হরিপুর: হরিপুর দেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র, ১৯৫৫ সালে; মজুদের জন্য নয়, প্রথম হওয়ার জন্য এটি বিখ্যাত।
ঘ. হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র বড় হলেও মজুদে তিতাসের চেয়ে ছোট; একই জেলার বিবিয়ানা সর্বোচ্চ উৎপাদনের জন্য পরিচিত বলে নামটি বিভ্রান্তি তৈরি করে।
প্রথম হরিপুর, বৃহত্তম তিতাস, সর্বোচ্চ উৎপাদন বিবিয়ানা।
তিতাস নদীর নামে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসের ভান্ডার।