সুশাসনের পূর্বশর্ত কী?
সঠিক উত্তর
ঘমত প্রকাশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
প্রকাশিত সব সমাধান অনুযায়ী সুশাসনের পূর্বশর্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা। যুক্তিটি হলো, মানুষ যদি নির্ভয়ে প্রশ্ন করতে, সমালোচনা করতে ও তথ্য জানাতে না পারে, তাহলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি তৈরিই হয় না।
গণমাধ্যম দুর্নীতির খবর প্রকাশ করে, নাগরিক অভিযোগ জানায়, বিরোধী দল ভুল ধরিয়ে দেয়। এ সবই মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচকের প্রথম মাত্রাও মত প্রকাশ ও জবাবদিহি।
বাংলাদেশের সংবিধানের উনচল্লিশ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, বাক্স্বাধীনতা এবং সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিরপেক্ষ আইন, নিরপেক্ষ বিচার ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতাও সুশাসনের জন্য জরুরি, তাই প্রশ্নটি কিছুটা দ্ব্যর্থক মনে হতে পারে। তবে এগুলো সুশাসনের উপাদান হিসেবে বেশি আসে; সব কটির আগে যে শর্ত, অর্থাৎ ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সুযোগ, সেটাই মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- সুশাসনের দুই প্রাণ: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।
- জবাবদিহি তখনই হয়, যখন মানুষ নির্ভয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা করতে পারে।
- তাই পূর্বশর্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা; সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯।
ক. নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা: নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা সুশাসনের উপাদান; পূর্বশর্ত হিসেবে প্রচলিত উত্তর মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
খ. নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা: নিরপেক্ষ বিচার সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, তবে এখানে কাঙ্ক্ষিত উত্তর নয়।
গ. প্রশাসনের নিরপেক্ষতা: প্রশাসনের নিরপেক্ষতা সুশাসনের উপাদান; পূর্বশর্ত হিসেবে প্রচলিত উত্তরে এটি ধরা হয়নি।
পূর্বশর্ত মানে সবার আগে লাগবে এমন জিনিস: কথা বলার অধিকার।
মুখ খুলতে না পারলে জবাব চাওয়া যায় না।