সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের কোন দিকটির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
সঠিক উত্তর
খঅর্থনৈতিক দিক
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের ভিত্তি দুই হাজার সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ সম্মেলনে গৃহীত সহস্রাব্দ ঘোষণা, দুই হাজার পনেরো সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্যে। আটটি লক্ষ্যের প্রথমটিই চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা।
প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে সুশাসনের অর্থনৈতিক দিকের উপর জোর দেওয়া হয়েছে: সরকারি সম্পদের দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবহার, আর্থিক জবাবদিহি, বিনিয়োগবান্ধব নীতি এবং দরিদ্রমুখী বাজেট। অষ্টম লক্ষ্য, উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারত্ব, সরাসরি বাণিজ্য, ঋণ ও সাহায্যের কথা বলে।
যুক্তিটা সহজ: দারিদ্র্য কমানো, স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানো সবই টাকার ব্যাপার। সেই টাকা দুর্নীতি ও অপচয়ে হারিয়ে গেলে কোনো লক্ষ্যই পূরণ হয় না। তাই অর্থনৈতিক সুশাসন ছিল কেন্দ্রে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়ন সামাজিক দিক, তাই সামাজিক দিক বিকল্পটিও যুক্তিসংগত মনে হয়; কিছু প্রকাশিত সমাধানে তা উত্তরও ধরা হয়েছে। তবে অধিকাংশ সমাধানের উত্তর অর্থনৈতিক দিক।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| সুশাসনের দিক | সহস্রাব্দ লক্ষ্যে ভূমিকা |
|---|---|
| গণতান্ত্রিক দিক | অংশগ্রহণ; লক্ষ্যগুলোর কেন্দ্রে নয় |
| সামাজিক দিক | শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী; গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু ফলাফল |
| অর্থনৈতিক দিক | দারিদ্র্য দূরীকরণ, সম্পদের স্বচ্ছ ব্যবহার, বৈশ্বিক অংশীদারত্ব |
- ২০০০ সালে আটটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য, মেয়াদ ২০১৫।
- প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা; অষ্টম লক্ষ্য বাণিজ্য, ঋণ ও সাহায্য।
- এগুলো অর্জনে লাগে সম্পদের স্বচ্ছ ও দক্ষ ব্যবহার: অর্থনৈতিক সুশাসন।
ক. সামাজিক দিক: সামাজিক দিক যুক্তিসংগত মনে হয় এবং কিছু প্রকাশিত সমাধান এটি ধরে; অধিকাংশের উত্তর অর্থনৈতিক দিক।
গ. মূল্যবোধের দিক: মূল্যবোধ সুশাসনের সহায়ক, কিন্তু সহস্রাব্দ লক্ষ্যে জোর দেওয়া দিক নয়।
ঘ. গণতান্ত্রিক দিক: গণতান্ত্রিক দিক সহস্রাব্দ লক্ষ্যের আটটি লক্ষ্যের কেন্দ্রে ছিল না।
সহস্রাব্দ লক্ষ্যের এক নম্বর দারিদ্র্য দূরীকরণ; তাই সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক।
দারিদ্র্য তাড়াতে আগে টাকার হিসাব ঠিক।