আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিষয়াবলি৪৬তম বিসিএস (২০২৪)

পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?

সঠিক উত্তর

খপাল

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কোন রাজবংশের আমলে তৈরি, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পাল আমল; বিহারটি নির্মাণ করেন পাল রাজা ধর্মপাল, অষ্টম শতকের শেষ ভাগে।

পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক, তাই তাঁদের আমলে বাংলায় বড় বড় বৌদ্ধবিহার গড়ে ওঠে। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত এবং উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।

১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত করে। বাংলাদেশের অন্য দুটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হলো বাগেরহাটের মসজিদের শহর ও সুন্দরবন।

ফাঁদ হলো মৌর্য ও গুপ্ত। মৌর্য আমলের নিদর্শন হিসেবে বগুড়ার মহাস্থানগড়ের শিলালিপি পরিচিত, আর গুপ্ত যুগ শেষ হয়েছিল পালদের অনেক আগে। বাংলার বড় বৌদ্ধবিহার শুনেই পাল মনে করুন।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
রাজবংশসময়বাংলায় পরিচিত তথ্য
মৌর্যখ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকমহাস্থানগড়ের শিলালিপি
গুপ্তচতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতকউত্তর ভারতকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য
চন্দ্রদশম ও একাদশ শতকদক্ষিণ পূর্ব বাংলা, বিক্রমপুর
পালঅষ্টম থেকে দ্বাদশ শতকধর্মপালের সোমপুর মহাবিহার
  1. মৌর্য ও গুপ্ত যুগ অনেক আগের; বিহারটি তখনো তৈরি হয়নি।
  2. চন্দ্র বংশ দশম ও একাদশ শতকে দক্ষিণ পূর্ব বাংলায় শাসন করে, সোমপুর বিহার তৈরির পরে।
  3. পাল রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে নওগাঁর পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. মৌর্য: মৌর্য শাসন খ্রিস্টপূর্ব যুগের; বাংলায় তাদের নিদর্শন মহাস্থানগড়ের শিলালিপি, পাহাড়পুরের বিহার নয়।

গ. গুপ্ত: গুপ্ত সাম্রাজ্যের যুগ চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতক, সোমপুর বিহার নির্মাণের দুশো বছরেরও বেশি আগে।

ঘ. চন্দ্র: চন্দ্র বংশ দশম ও একাদশ শতকে দক্ষিণ পূর্ব বাংলায় রাজত্ব করে; সোমপুর বিহার তার আগেই পাল আমলে তৈরি।

শর্টকাট

বাংলার বড় বৌদ্ধবিহার মানেই পাল আমল, আর পাহাড়পুর মানেই ধর্মপাল।

মনে রাখুন

ধর্মপালের ধর্মের ঘর পাহাড়পুর।