ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
সঠিক উত্তর
খবিকাল ০৩:০০ টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি দ্রাঘিমা থেকে স্থানীয় সময় বের করার অঙ্ক। উত্তর বিকাল তিনটা।
নিয়মটা হলো, পৃথিবী চব্বিশ ঘণ্টায় তিনশো ষাট ডিগ্রি ঘোরে। তাই এক ডিগ্রি ঘুরতে লাগে চার মিনিট। দুই স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্যকে চার দিয়ে গুণ করলেই সময়ের পার্থক্য মিনিটে পাওয়া যায়।
এখানে পার্থক্য পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি। পঁয়তাল্লিশ গুণ চার হলো একশো আশি মিনিট, মানে তিন ঘণ্টা। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে বলে পূর্বের স্থানে সূর্য আগে ওঠে, তাই সেখানে সময় এগিয়ে থাকে। ঢাকায় দুপুর বারোটা হলে পূর্বের স্থানটিতে বারোটার সঙ্গে তিন ঘণ্টা যোগ করে বিকাল তিনটা।
সকাল নয়টা বিকল্পটি ফাঁদ: এটি আসে তিন ঘণ্টা বিয়োগ করলে, যা পশ্চিমের স্থানের জন্য প্রযোজ্য। মনে রাখুন, পূর্বে যোগ, পশ্চিমে বিয়োগ।
- ১° দ্রাঘিমা = ৪ মিনিট
- সময়ের পার্থক্য = ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট
- ১৮০ ÷ ৬০ = ৩ ঘণ্টা
- স্থানটি পূর্বে, তাই সময় বেশি
- ১২:০০ + ৩:০০ = ১৫:০০ = বিকাল ৩টা
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে, তাই ১° = ৪ মিনিট।
- ৪৫° × ৪ = ১৮০ মিনিট।
- ১৮০ মিনিট = ৩ ঘণ্টা।
- পূর্বে সময় এগিয়ে: ১২টা + ৩ ঘণ্টা = বিকাল ৩টা।
ক. সকাল ০৯:০০ টা: সকাল নয়টা আসে তিন ঘণ্টা বিয়োগ করলে, যা পশ্চিমের স্থানের জন্য; স্থানটি পূর্বে।
গ. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা: সন্ধ্যা ছয়টা হতো ছয় ঘণ্টা বা নব্বই ডিগ্রি পার্থক্যে।
ঘ. রাত ০৯:০০ টা: রাত নয়টা হতো নয় ঘণ্টা বা একশো পঁয়ত্রিশ ডিগ্রি পার্থক্যে।
পূর্বে যোগ, পশ্চিমে বিয়োগ; প্রতি ডিগ্রিতে ৪ মিনিট।
পূর্বে সূর্য আগে, ঘড়িও আগে।