নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard)?
সঠিক উত্তর
ঘখরা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা প্রাকৃতিক আপদের শ্রেণিবিভাগ যাচাই করছে। আপদকে উৎস অনুযায়ী ভাগ করা হয়: পৃথিবীর ভিতরের শক্তি থেকে ভূতাত্ত্বিক আপদ, আর আবহাওয়া ও জলবায়ু থেকে আবহাওয়াজনিত আপদ।
খরা হয় দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি আর বেশি তাপমাত্রার কারণে। এর সবচেয়ে বড় আঘাত পড়ে ফসল ও কৃষির উপর, তাই খরাকে কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ বলা হয়।
ভূমিকম্প আর সুনামির উৎস ভূত্বকের নড়াচড়া, তাই এগুলো ভূতাত্ত্বিক আপদ। ভূমিধস হয় ঢালের মাটি ও পাথর ধসে পড়ে; ভারী বৃষ্টি একে উসকে দিলেও এটি মূলত ভূমিরূপ ও মাটির অবস্থাজনিত আপদ।
ফাঁদ হলো ভূমিধস, কারণ বর্ষায় বেশি হয় বলে একে আবহাওয়ার আপদ মনে হয়। কিন্তু বৃষ্টি এখানে কেবল ট্রিগার; কৃষির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আবহাওয়াজনিত আপদ হলো খরা।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| আপদ | উৎস | ধরন |
|---|---|---|
| ভূমিকম্প | ভূত্বকের নড়াচড়া | ভূতাত্ত্বিক |
| সুনামি | সমুদ্রতলের ভূমিকম্প | ভূতাত্ত্বিক |
| ভূমিধস | ঢালের মাটি ও পাথর ধস | ভূমিরূপজনিত |
| খরা | বৃষ্টির ঘাটতি ও উচ্চ তাপ | কৃষি-আবহাওয়াজনিত |
- আপদকে উৎস অনুযায়ী ভাগ করি।
- ভূমিকম্প ও সুনামি: ভূত্বকের নড়াচড়া, ভূতাত্ত্বিক।
- ভূমিধস: ঢালের মাটি ধস, ভূমিরূপজনিত।
- খরা: বৃষ্টির ঘাটতি ও তাপ, কৃষি-আবহাওয়াজনিত।
ক. ভূমিকম্প: ভূমিকম্প ভূতাত্ত্বিক আপদ; আবহাওয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
খ. ভূমিধস: ভূমিধস মূলত ঢাল ও মাটির অবস্থাজনিত; বৃষ্টি শুধু উসকে দেয়।
গ. সুনামি: সুনামি মূলত সমুদ্রতলের ভূমিকম্প থেকে হয়, তাই ভূতাত্ত্বিক।
‘কৃষি’ আর ‘আবহাওয়া’ দুটো শব্দ একসাথে দেখলেই বৃষ্টির অভাবের আপদ, মানে খরা।
মাটি কাঁপলে ভূতত্ত্ব, আকাশ শুকালে খরা।