ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এ কয়টি ভৌগোলিক হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
ক৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ হলো পানি, জলবায়ু পরিবর্তন আর ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে একশো বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতায় তৈরি এই পরিকল্পনা ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ বা এনইসি অনুমোদন করে।
পরিকল্পনায় একই ধরনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোকে একসঙ্গে ধরে মোট ৬টি হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে।
হটস্পটগুলো হলো: উপকূলীয় অঞ্চল, বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল, হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, পার্বত্য চট্টগ্রাম, নদী অঞ্চল ও মোহনা, এবং নগরাঞ্চল।
প্রতিটি হটস্পটের সমস্যা আলাদা; যেমন উপকূলে লবণাক্ততা ও জলোচ্ছ্বাস, বরেন্দ্রে খরা, হাওরে আকস্মিক বন্যা। এভাবে ভৌগোলিক ছবিটা মনে রাখলে সংখ্যা ৬ ভুলবেন না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| হটস্পট | প্রধান ঝুঁকি |
|---|---|
| উপকূলীয় অঞ্চল | লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস |
| বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল | খরা, পানির সংকট |
| হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল | আকস্মিক বন্যা |
| পার্বত্য চট্টগ্রাম | ভূমিধস, পানির সংকট |
| নদী অঞ্চল ও মোহনা | নদীভাঙন, বন্যা |
| নগরাঞ্চল | জলাবদ্ধতা |
| মোট | ৬টি হটস্পট |
- উপকূলীয় অঞ্চল এবং বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল।
- হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম।
- নদী অঞ্চল ও মোহনা এবং নগরাঞ্চল।
- সব মিলিয়ে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এ হটস্পট ৬টি।
খ. ৭: তালিকায় সপ্তম কোনো অঞ্চল নেই; জোড়া নামের একটি হটস্পট (যেমন হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল) দুটি ধরে গুনলে ৭ আসে।
গ. ৮: জোড়া নামের দুটি হটস্পট ভেঙে আলাদা গুনলে ৮ আসে; প্রকৃত হটস্পট ৬টি।
ঘ. ৯: জোড়া নামের তিনটি হটস্পটই (বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ, হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ, নদী অঞ্চল ও মোহনা) ভেঙে গুনলে ৯ আসে; প্রকৃত সংখ্যা ৬।
উপকূল, বরেন্দ্র, হাওর, পাহাড়, নদী, নগর: ছয় শব্দে ছয় হটস্পট।
উপকূল-বরেন্দ্র-হাওর, পাহাড়-নদী-নগর: ছয়।