কোন শ্রেণির ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?
সঠিক উত্তর
গঐচ্ছিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
নীতিবিদ্যা মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। ঐচ্ছিক ক্রিয়া মানে যে কাজ মানুষ জেনে-বুঝে, ইচ্ছা করে এবং বেছে নিয়ে করে। শুধু এমন কাজের জন্যই মানুষকে প্রশংসা বা দোষ দেওয়া যায়।
ইচ্ছা-নিরপেক্ষ বা অনৈচ্ছিক ক্রিয়া যেমন হৃৎস্পন্দন, হাঁচি, ঘুমের মধ্যে হাত নড়া, এগুলো মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই এগুলো ভালো বা মন্দ বলা যায় না, নীতিবিদ্যার আলোচনার বাইরে।
নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া হলো এমন কাজ, যার সঙ্গে ভালো-মন্দের প্রশ্ন জড়িত নয়, যেমন চা খাব না কফি। আর সামাজিক ক্রিয়া সমাজবিজ্ঞানের বিষয়।
উদাহরণ: কেউ ইচ্ছা করে ধাক্কা দিলে তা অন্যায়, কিন্তু হোঁচট খেয়ে কারও গায়ে পড়লে তাকে দোষ দেওয়া যায় না। এই পার্থক্যটাই ঐচ্ছিক ক্রিয়ার গুরুত্ব।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ক্রিয়ার ধরন | উদাহরণ | নীতিবিদ্যার বিষয়? |
|---|---|---|
| ইচ্ছা-নিরপেক্ষ | হৃৎস্পন্দন, হাঁচি | না |
| নৈতিকতা-নিরপেক্ষ | চা না কফি | না |
| সামাজিক | উৎসব, প্রথা পালন | সমাজবিজ্ঞানের বিষয় |
| ঐচ্ছিক | ইচ্ছা করে সত্য বা মিথ্যা বলা | হ্যাঁ |
- নীতিবিদ্যা দেখে কোন কাজের জন্য মানুষ দায়ী।
- অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণের বাইরে; নৈতিকতা-নিরপেক্ষ কাজে ভালো-মন্দের প্রশ্ন নেই।
- জেনে, ইচ্ছা করে, বেছে নেওয়া কাজ: ঐচ্ছিক ক্রিয়া; এটাই নীতিবিদ্যার বিষয়।
ক. নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া: নৈতিকতা-নিরপেক্ষ কাজে ভালো-মন্দের প্রশ্ন ওঠে না, তাই নীতিবিদ্যার বাইরে।
খ. সামাজিক ক্রিয়া: সামাজিক ক্রিয়া মূলত সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়।
ঘ. ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া: ইচ্ছা-নিরপেক্ষ কাজ মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই, তাই তার জন্য দোষ বা প্রশংসা হয় না।
দায় আছে যেখানে, নীতিবিদ্যা সেখানে: ঐচ্ছিক ক্রিয়া।
ইচ্ছা করে করলে দায়, তাই নীতিবিদ্যার বিচার।