আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা

কোন শ্রেণির ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?

সঠিক উত্তর

গঐচ্ছিক ক্রিয়া

ব্যাখ্যা

নীতিবিদ্যা মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। ঐচ্ছিক ক্রিয়া মানে যে কাজ মানুষ জেনে-বুঝে, ইচ্ছা করে এবং বেছে নিয়ে করে। শুধু এমন কাজের জন্যই মানুষকে প্রশংসা বা দোষ দেওয়া যায়।

ইচ্ছা-নিরপেক্ষ বা অনৈচ্ছিক ক্রিয়া যেমন হৃৎস্পন্দন, হাঁচি, ঘুমের মধ্যে হাত নড়া, এগুলো মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই এগুলো ভালো বা মন্দ বলা যায় না, নীতিবিদ্যার আলোচনার বাইরে।

নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া হলো এমন কাজ, যার সঙ্গে ভালো-মন্দের প্রশ্ন জড়িত নয়, যেমন চা খাব না কফি। আর সামাজিক ক্রিয়া সমাজবিজ্ঞানের বিষয়।

উদাহরণ: কেউ ইচ্ছা করে ধাক্কা দিলে তা অন্যায়, কিন্তু হোঁচট খেয়ে কারও গায়ে পড়লে তাকে দোষ দেওয়া যায় না। এই পার্থক্যটাই ঐচ্ছিক ক্রিয়ার গুরুত্ব।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
ক্রিয়ার ধরনউদাহরণনীতিবিদ্যার বিষয়?
ইচ্ছা-নিরপেক্ষহৃৎস্পন্দন, হাঁচিনা
নৈতিকতা-নিরপেক্ষচা না কফিনা
সামাজিকউৎসব, প্রথা পালনসমাজবিজ্ঞানের বিষয়
ঐচ্ছিকইচ্ছা করে সত্য বা মিথ্যা বলাহ্যাঁ
  1. নীতিবিদ্যা দেখে কোন কাজের জন্য মানুষ দায়ী।
  2. অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণের বাইরে; নৈতিকতা-নিরপেক্ষ কাজে ভালো-মন্দের প্রশ্ন নেই।
  3. জেনে, ইচ্ছা করে, বেছে নেওয়া কাজ: ঐচ্ছিক ক্রিয়া; এটাই নীতিবিদ্যার বিষয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া: নৈতিকতা-নিরপেক্ষ কাজে ভালো-মন্দের প্রশ্ন ওঠে না, তাই নীতিবিদ্যার বাইরে।

খ. সামাজিক ক্রিয়া: সামাজিক ক্রিয়া মূলত সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়।

ঘ. ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া: ইচ্ছা-নিরপেক্ষ কাজ মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই, তাই তার জন্য দোষ বা প্রশংসা হয় না।

শর্টকাট

দায় আছে যেখানে, নীতিবিদ্যা সেখানে: ঐচ্ছিক ক্রিয়া।

মনে রাখুন

ইচ্ছা করে করলে দায়, তাই নীতিবিদ্যার বিচার।