আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞান৪৬তম বিসিএস (২০২৪)

জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?

সঠিক উত্তর

খInfrared

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন ধরনের বিকিরণে পর্যবেক্ষণ করে তা জানতে চাইছে। উত্তর অবলোহিত বা ইনফ্রারেড রশ্মি।

মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে, তাই অনেক দূরের ছায়াপথের আলো আসতে আসতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য লম্বা হয়ে লালের দিকে সরে যায়; একে লোহিত সরণ বলে। প্রথম যুগের ছায়াপথের দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলো আমাদের কাছে পৌঁছায় অবলোহিত হয়ে। তাই সেগুলো দেখতে অবলোহিত দূরবীক্ষণ দরকার।

অবলোহিত রশ্মি ধূলিমেঘ ভেদ করেও যেতে পারে, ফলে নক্ষত্রের জন্মস্থান দেখা যায়। নিজের তাপ যেন পর্যবেক্ষণে বাধা না দেয়, সেজন্য ওয়েবের একটি বিশাল সূর্যঢাল আছে এবং এটি পৃথিবী থেকে প্রায় পনেরো লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। এটি ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়।

ফাঁদ হলো দৃশ্যমান আলো, কারণ হাবল টেলিস্কোপ মূলত দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলোয় কাজ করে। এক্সরে পর্যবেক্ষণ করে চন্দ্র এক্সরে মানমন্দির।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
টেলিস্কোপপ্রধান বিকিরণ
জেমস ওয়েব (২০২১)অবলোহিত
হাবল (১৯৯০)দৃশ্যমান, অতিবেগুনি, নিকট-অবলোহিত
চন্দ্র (১৯৯৯)এক্সরে
লোহিত সরণদূরের আলো লম্বা তরঙ্গে সরে যায়
  1. দূরের ছায়াপথের আলো লোহিত সরণে লম্বা তরঙ্গের হয়ে যায়।
  2. সেই আলো আমাদের কাছে আসে অবলোহিত হিসেবে।
  3. তাই জেমস ওয়েব অবলোহিত রশ্মিতে পর্যবেক্ষণ করে।
  4. হাবল দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি, চন্দ্র এক্সরেতে কাজ করে।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. Ultra-violet: অতিবেগুনি রশ্মিতে হাবল কাজ করে; ওয়েব নয়।

গ. Visible: দৃশ্যমান আলো হাবলের প্রধান ক্ষেত্র; ওয়েব মূলত অবলোহিত।

ঘ. X-ray: এক্সরে পর্যবেক্ষণ করে চন্দ্র এক্সরে মানমন্দির।

শর্টকাট

ওয়েব মানে অবলোহিত, চন্দ্র মানে এক্সরে, হাবল মানে দৃশ্যমান।

মনে রাখুন

ওয়েব দেখে তাপের চোখে, সবচেয়ে পুরোনো আলো।