ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল-
সঠিক উত্তর
খhc/λ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ফোটনের শক্তির সূত্র জানতে চাইছে। ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ আলোর বেগ, ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
সূত্রটি দুই ধাপে আসে। প্ল্যাঙ্কের মতে ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ কম্পাঙ্ক। আবার আলোর বেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, তাই কম্পাঙ্ক সমান আলোর বেগ ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এটি প্রথম সূত্রে বসালেই উত্তর পাওয়া যায়।
সূত্রটি বলে শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। তাই খাটো তরঙ্গের অতিবেগুনি ও এক্সরে ফোটনের শক্তি বেশি, আর লম্বা তরঙ্গের রেডিও ফোটনের শক্তি কম। এ কারণে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক পোড়ায়, রেডিও তরঙ্গ পোড়ায় না।
ফাঁদ হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে লবে বসানো। একক মিলিয়ে দেখলেও বোঝা যায়, কেবল আলোর বেগকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করলেই কম্পাঙ্ক আসে।
- E = hf
- c = fλ ⇒ f = c ÷ λ
- E = h × (c ÷ λ) = hc/λ
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- প্ল্যাঙ্কের সূত্র: E = hf।
- আলোর বেগ: c = fλ, তাই f = c/λ।
- বসিয়ে পাই E = hc/λ; λ ছোট হলে শক্তি বেশি।
ক. hλ/c: তরঙ্গদৈর্ঘ্য লবে থাকলে শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সঙ্গে বাড়ত, যা উল্টো; আলোর বেগও হরে চলে গেছে।
গ. cλ/h: এখানে প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক হরে, ফলে সম্পর্কটাই উল্টে যায়।
ঘ. chλ: তিনটির গুণফল শক্তির সূত্র নয়; তরঙ্গদৈর্ঘ্য হরে থাকতে হবে।
শক্তি কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক, তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক; তাই লম্বডা নিচে।
তরঙ্গ ছোট, শক্তি বড়।