হিগের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
সঠিক উত্তর
খসত্যেন্দ্র নাথ বসু
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হিগস কণার নামের সঙ্গে জড়িত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জানতে চাইছে। হিগস কণাকে বলা হয় হিগস বোসন, আর বোসন শব্দটি এসেছে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নাম থেকে।
১৯২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান পড়ানোর সময় সত্যেন্দ্রনাথ বসু আলোর কণা গোনার একটি নতুন পরিসংখ্যান পদ্ধতি বের করে আইনস্টাইনের কাছে পাঠান। আইনস্টাইন তা অনুবাদ করে প্রকাশ করেন এবং আরও বিস্তৃত করেন। এটিই বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান, আর যেসব কণা এই নিয়ম মানে তাদের বলা হয় বোসন।
পূর্ণসংখ্যার স্পিনের কণা বোসন, যেমন আলোর কণা ফোটন। হিগস কণাও বোসন। ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ কয়েকজন বিজ্ঞানী এর ধারণা দেন, ২০১২ সালে সার্নের গবেষণাগারে এটি শনাক্ত হয়, এবং ২০১৩ সালে পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এংলার্ট নোবেল পান।
ফাঁদ হলো জগদীশচন্দ্র বসু, কারণ পদবি একই। জগদীশচন্দ্র বেতার তরঙ্গ ও উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে কাজ করেছেন, বোসন তাঁর নামে নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯২৪সত্যেন্দ্রনাথ বসু: বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান
- পরেবসুর নামে কণার শ্রেণি
- ১৯৬৪হিগস কণার তাত্ত্বিক ধারণা
- ২০১২সার্নে হিগস বোসন শনাক্ত
- ১৯২৪: ঢাকায় সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নতুন পরিসংখ্যান, আইনস্টাইনের কাছে পাঠানো।
- বসুর নিয়ম মানা কণার নাম হলো বোসন।
- ১৯৬৪: হিগস কণার তাত্ত্বিক ধারণা।
- ২০১২: সার্নে হিগস বোসন শনাক্ত।
ক. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু: জগদীশচন্দ্র বসু বেতার তরঙ্গ ও উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে কাজ করেন; বোসন তাঁর নামে নয়।
গ. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম: জামাল নজরুল ইসলাম বিশ্বতত্ত্ব ও কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেন।
ঘ. ড. কুদরত-ই-খুদা: কুদরত-ই-খুদা রসায়নবিদ; কণা পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
বোসন শব্দেই উত্তর: বসু, অর্থাৎ সত্যেন্দ্রনাথ বসু।
বসু থেকে বোসন, হিগস তাদেরই একজন।