'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?
সঠিক উত্তর
ঘপদার্থ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর পদার্থবিজ্ঞান।
ভাষা আন্দোলনের সূচনায় তাঁর ভূমিকা বড়। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে তিনি তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন, আর ১৫ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে এটি প্রথম দিকের সংগঠিত লিখিত উদ্যোগ।
বিজ্ঞানের শিক্ষক হয়েও তিনি বাংলা মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার পক্ষে ছিলেন। পরে ঢাকায় বাংলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্ব দেন।
বিজ্ঞানের শিক্ষক ভাষা আন্দোলনের নেতা, এই অমিলই প্রশ্নের মূল চমক। ভাষা ও সংস্কৃতির সংগঠন দেখে ইতিহাসের মতো মানবিক বিষয় ভাবা স্বাভাবিক, কিন্তু তিনি ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| আবুল কাশেমের পেশা | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক |
| তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা | সেপ্টেম্বর ১৯৪৭, মাসের শুরুতে |
| পুস্তিকা | পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু, ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ |
- আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান পড়াতেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৪৭, মাসের শুরুতে: তাঁর উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা।
- ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭: পুস্তিকা, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু।
ক. রসায়ন বিজ্ঞান: রসায়ন নয়; আবুল কাশেম পড়াতেন পদার্থবিজ্ঞান।
খ. গণিত: বিজ্ঞানের আরেক বিষয় দিয়ে বিভ্রান্ত করা; তাঁর বিভাগ ছিল পদার্থবিজ্ঞান।
গ. ইতিহাস: ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত বলে মানবিক বিষয় ভাবা স্বাভাবিক, কিন্তু তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন।
তমদ্দুন মজলিসের নেতা বিজ্ঞানের মানুষ: পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক, পরে বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।
পদার্থের শিক্ষক, ভাষার সৈনিক।