ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত-
সঠিক উত্তর
গনারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ক্ষুদ্রঋণ গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত কী প্রভাব ফেলে। প্রত্যাশিত উত্তর নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, কারণ বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রভাব গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কাজে যুক্ত করা।
ক্ষুদ্রঋণ মানে জামানত ছাড়া ছোট অঙ্কের ঋণ, যা দলভিত্তিক দায়বদ্ধতায় দেওয়া হয়। গ্রামীণ ব্যাংকসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণগ্রহীতার বিশাল অংশই নারী। ঋণ নিয়ে তাঁরা হাঁস মুরগি ও গবাদিপশু পালন, সেলাই বা ছোট ব্যবসা শুরু করেন, ফলে পরিবারের আয় ও সিদ্ধান্তে তাঁদের ভূমিকা বাড়ে।
ক্ষুদ্রঋণের ঘোষিত লক্ষ্য দারিদ্র্য বিমোচন, কিন্তু এর প্রভাব নিয়ে গবেষণার ফল মিশ্র; কোথাও দারিদ্র্য কমার প্রমাণ মিলেছে, কোথাও ঋণের চক্রে পড়ার উদাহরণও আছে। তাই প্রধান প্রভাব হিসেবে প্রচলিত উত্তর নারীর অংশগ্রহণ, যা নিয়ে বিতর্ক তুলনামূলক কম।
ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস একটি সীমিত ও পরোক্ষ প্রভাব, আর নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস বিকল্পটি বাস্তবতার একেবারে উল্টো।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দিক | তথ্য |
|---|---|
| ক্ষুদ্রঋণ কী | জামানত ছাড়া ছোট ঋণ, দলভিত্তিক দায় |
| ঋণগ্রহীতা | বড় অংশই গ্রামীণ নারী |
| প্রধান প্রভাব | নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি |
| পথিকৃৎ | মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক, নোবেল ২০০৬ |
- ক্ষুদ্রঋণ: জামানত ছাড়া ছোট ঋণ, দলভিত্তিক দায়বদ্ধতায়।
- ঋণগ্রহীতাদের বড় অংশই গ্রামীণ নারী।
- তাঁরা আয়মূলক কাজে যুক্ত হন: প্রধান প্রভাব নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
ক. দারিদ্র হ্রাস করে: দারিদ্র্য হ্রাস ক্ষুদ্রঋণের ঘোষিত লক্ষ্য, তবে এর প্রভাব নিয়ে গবেষণার ফল মিশ্র; প্রচলিত উত্তর নারীর অংশগ্রহণ।
খ. ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে: ভিক্ষুকদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি থাকলেও এটি ক্ষুদ্রঋণের প্রধান প্রভাব নয়, সীমিত পরিসরের ফল।
ঘ. নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে: বাস্তবতার উল্টো; ক্ষুদ্রঋণ নারীদের আয়মূলক কাজে যুক্ত করে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে।
ক্ষুদ্রঋণের প্রধান প্রভাব জানতে চাইলে ভাবুন ঋণগ্রহীতা কারা: বেশিরভাগই নারী।
ক্ষুদ্রঋণের চাবি নারীর হাতে।