বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা-
সঠিক উত্তর
গবাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে সংবিধানের রক্ষক বা অভিভাবক কে। উত্তর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, কারণ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেওয়ার এবং সংবিধানবিরোধী আইন বা কাজকে অবৈধ ঘোষণা করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের।
সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ বলে সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততটুকু বাতিল। আর ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগ মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে রিট জারি করতে পারে। একে বিচারিক পর্যালোচনা বলে।
সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। হাইকোর্ট আলাদা কোনো আদালত নয়, সুপ্রিম কোর্টেরই একটি বিভাগ; তাই পুরো প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টই সংবিধানের অভিভাবক।
রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ায় প্রেসিডেন্ট বা আইন প্রণেতা হওয়ায় জাতীয় সংসদ বেছে নেওয়াই সাধারণ ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- রাষ্ট্রের তিন অঙ্গ আলাদা করি: নির্বাহী, আইনসভা ও বিচার বিভাগ।
- সংসদ আইন বানায়, প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপ্রধান।
- আইন সংবিধানবিরোধী কি না, তা যাচাই করে বিচার বিভাগ।
- সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, তাই এটিই সংবিধানের অভিভাবক।
ক. প্রেসিডেন্ট: প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপ্রধান; আইন সংবিধানবিরোধী কি না, তা ঘোষণা করার ক্ষমতা তাঁর নেই।
খ. জাতীয় সংসদ: জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে; সংসদের বানানো আইনও সংবিধানবিরোধী হলে সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করতে পারে।
ঘ. হাই কোর্ট: হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টেরই একটি বিভাগ; অভিভাবক হিসেবে পুরো সুপ্রিম কোর্টকেই ধরা হয়, আর হাইকোর্টের রায়ের ওপরে আপিল বিভাগ আছে।
সংবিধান রক্ষার প্রশ্নে সবসময় সর্বোচ্চ আদালত, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট।
সংসদ বানায় আইন, সুপ্রিম কোর্ট পাহারা দেয় সংবিধান।